শেখর দুবে, কলকাতা: শেষ পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যবাসী যে সন্ত্রাসের ভোট দেখেছিলেন সেই সন্ত্রাসেরই পুনঃরাবৃত্তি সপ্তদশ লোকসভা ভোটে ঘটাতে চাইছে কিছু দুস্কৃতি৷ বিরোধী এবং সাধারণ মানুষ সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরাতে সরাসরি অভিযোগ করছেন এই দুস্কৃতিরা শাসক দলের লোক৷

শেষ পাঁচবছরে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে উন্নয়ন হয়েছে বলে দাবি করেছেন৷ তাহলে সেই উন্নয়নের উপরের ভরসা না রেখে শাসক দলের ভোট সন্ত্রাসের কী দরকার পড়ল এই প্রশ্নের উত্তরে রাজ্য বিজেপির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক সায়ন্ত বসু বলেন, ‘‘রাজ্যে কেবল কালিঘাটের একটি পরিবারের উন্নয়ন হয়েছে৷ সোনা পাচার বেড়েছে৷ আর ওঁর বলা উন্নয়ন মানে তো অনুব্রত মডেল৷ পঞ্চায়েতের মতোই এবারও ভোটে সন্ত্রাস করতে চাইছে ওরা৷ কিন্তু এবার মানুষ সচেতন আর ওরা এসব করতে পারবে না৷ ভোট লুঠ করেও তৃণমূল হারবে৷’’

রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় ভোটে রায়গঞ্জের হেমতাবাদের মহজমপুরে, মালবাজার, গোয়ালপোখরা, দার্জালিং কেন্দ্রের চোপড়ার সহ একাধিক জায়গাতে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে ভোট কেন্দ্রের বাইরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বুধের সাধারণ ভোটাররা৷ কেন্দ্রীয়বাহিনীর দাবিতে ৩৮ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়েছে৷ একাধিক জায়গাতে সংবাদমাধ্যমকে সাধারণ মানুষরা জানিয়েছেন, ‘‘এই বুথে শুধু রাজ্যে পুলিশ রয়েছে আমরা ওদের বিশ্বাস করি না৷ ওরা তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে৷ কেন্দ্রবাহিনী না এলে আমরা এই বুথে ভোট শুরু হতে দেব না৷’’

বিষয়টি নিয়ে রাজ্য বিজেপির শীর্ষনেতা সায়ন্তন বলেন, ‘‘পঞ্চায়েত ভোট থেকেই রাজ্য পুলিশের উপর আস্থা হারিয়েছেন সাধারণ মানুষ৷ তাই তারা বাধ্য হয়ে নিজেরাই প্রতিরোধ গড়ে তুলছেন৷’’