স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া : নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে সাইকেল র‍্যালি অনুষ্ঠিত হল হাওড়ায়। নেতাজী জন্মজয়ন্তী কমিটির চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন মেয়র পারিষদ বিভাস হাজরার উদ্যোগে শুক্রবার বিকেলে ওই সাইকেল র‍্যালির সূচনা হয়।

রামরাজাতলা শঙ্কর মঠ থেকে সাইকেল র‍্যালি শুরু হয়। র‍্যালি বেনারস রোড আজাদ হিন্দ স্কুল নেতাজী মূর্তির পাদদেশে এসে শেষ হয়। বিভাস হাজরা বলেন, “নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে আমরা আজকে এই সাইকেল র‍্যালি করেছি।

হাওড়ার রামরাজাতলা শঙ্কর মঠ, যেখানে একসময় নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু এসেছিলেন। সেই শঙ্কর মঠ থেকে আমরা আজ সাইকেল র‍্যালি করেছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় আমাদের লক্ষ্য নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের উৎসাহিত করা। এরাই বাংলার আগামী দিনের ভবিষ্যৎ দেখাবে। তাই নেতাজীকে আরও বেশি করে সকলের কাছে তুলে ধরতে হবে।”

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই দিনটি বিশেষভাবে পালিত হচ্ছে দেশজুড়ে। কেন্দ্রের তরফে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নেতাজির জন্মবার্ষিকীতে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলে দু’টি গ্যালারির উদ্বোধন করবেন তিনি।

এছাড়াও নেতাজিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে আজ কলকাতায় পদযাত্রা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্যামবাজার পাঁচমাথা মোড় থেকে ধর্মতলায় নেতাজি মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত পদযাত্রা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় সাড়ে ৮ কিলোমিটার পথ হেঁটে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে শ্রদ্ধা জানাবেন তৃণমূল নেত্রী।

এদিকে, নেতাজিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে আজ ‘পরাক্রম দিবস’ পালন করছে কেন্দ্র। যদিও সুভাষচন্দ্রের জন্মদিনটি ‘পরাক্রম দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করায় খুশি নন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দিন কয়েক আগেই বলেছেন, ‘‘পরাক্রম দিবস নামে আমরা খুশি নই। দেশনায়ক দিবস বা দেশপ্রেম দিবস নামকরণ হলেই ভাল হতো।’’

জানা গিয়েছে আজ বেলা ১২টা নাগাদ শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড়ে তৃণমূলের জমায়েত। সেখান থেকে পদযাত্রা করে ধর্মতলায় নেতাজি মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত যাওয়া হবে। শ্যামবাজার থেকেই পদযাত্রার নেতৃত্বে থাকবেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আজ দেশনায়ক দিবস দিবস পালন করা হবে। নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আজ রাজ্যজুড়ে পালিত নেতাজির জন্মজয়ন্তী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।