স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া:  প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগেই প্রচার শুরু করে দিল তৃণমূল কংগ্রেস৷ আজ, শনিবার সকালে বাঁকুড়ার বিধায়ক শম্পা দরিপাকে নিয়ে মিছিল করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বাড়ি বাড়ি গিয়ে কথাও বলেন তিনি। ২০১৬-র বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের টিকিটে বাঁকুড়া কেন্দ্রে ১ হাজার ২৯ ভোটে জিতেছিলেন শম্পা দরিপা। পরে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন।

এদিন, কাঞ্চনপুর এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। স্থানীয়দের হাতে তুলে দেওয়া হয় রাজ্য সরকারের ১০ বছরের রিপোর্ট কার্ড। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য ‘‘রিপোর্ট কার্ড যতই দেখাক, নির্বাচনে বা ভোটবাক্সে কোনও প্রভাব পড়বে না। প্রার্থীর নাম ঘোষণার আগেই প্রচার শুরু করে লাভ হবে না।’’ পাল্টা জবাব দিয়েছে তৃণমূল। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘প্রতিদিনই তো এরকম করা হয়, সরকারি প্রকল্পের কথা প্রচার করা হচ্ছে, আমরা আশাবাদী জেলার ১২টি আসনেই আমরা জয়ী হব।’’

শুধু বাঁকুড়া নয়,  ভোট ঘোষণা হতেই অনেক জায়গাতেই মাঠে নেমে পড়েছেন তৃণমূল কর্মীরা। কোথাও ঢিমে তালে চলছে প্রস্তুতি। তৃণমূলের দাবি, দেওয়াল লিখন, মিছিল শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রার্থীর নাম ঘোষণা হলে প্রচার আরও গতি পাবে। কালনা, পূর্বস্থলীর নানা এলাকায় শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই প্রার্থীর নামের জায়গা ফাঁকা রেখে দেওয়াল লিখন শুরু করেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। কর্মীদের অনেকেই দাবি করেন, প্রচারের জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া গিয়েছে। দলীয় পতাকা, ব্যানার এলাকায় টাঙাতে বেরিয়েও পড়েন অনেকে।

দক্ষিণ কলকাতার একাধিক জায়গায়, পাড়ায় পাড়ায় ‘খেলা হবে’ দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা শুরু করে দিয়েছেন এই দেওয়াল লেখা। সেখানে শোভা পাচ্ছে দেওয়ালে টিম মমতার উন্নয়ন। যেখানে গোল রক্ষকের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

এদিন বালুরঘাটের চা-চক্র থেকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় এক দফায় ভোট করাবে। দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের পাল্টা তোপ দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন রাজ্য সরকার নিশ্চয়ই ভোটের দিন ঘোষণা করে না। ওরা স্বপ্ন দেখছে, স্বপ্ন নিয়েই থাকুক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.