কলকাতা: সবার আগে প্রার্থী রাজ্যের সব আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়ে এমনিতেই বিরোধীদের চাপে ফেলার কৌশল নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেকটাই সফল তৃণমূল। শাসকদলে ভোটের মুখে ফের তারকা প্রার্থীদের যোগদানের হিড়িক। তাঁদের নিরাশও করেননি তৃণমূলনেত্রী। তারকাদের স্টারডম কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পেরনোর চেষ্টায় রাজ্যের শাসকদল। তৃণমূলের এবারের প্রার্থী তালিকায় তাই তারকাদের ছড়াছড়ি।

এর আগেও তৃণমূলে যোগ দিয়ে বিধা.ক, সাংসদ হতে দেখা গিয়েছে টলিউড ইন্ডাস্ট্রির অনেককে। কে নেই সেই তালিকায়? প্রয়াত তাপস পাল থেকে শুরু করে শতাব্দী রায়, দেব, নুসরত, মিমি, চিরঞ্জিৎ প্রত্যেকেই শাসকদলে নাম লিখিয়ে টিকিট পেয়েছেন এবং জিতেওছেন। একুশের ভোটের আগে ফের তৃণমূলে টলি পাড়ার একঝাঁক কলাকুশলী যোগ দিয়েছেন। এবার তাঁদেরও নিরাশ করেননি তৃণমূল সুপ্রিমো। সদ্য দলে যোগ দেওয়া প্রায় প্রত্যেককেই বিধানসভা ভোটে টিকিট দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাঁকুড়ায় প্রার্থী করা হয়েছে অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বারাকপুরে প্রার্থী হচ্ছেন পরিচালক-অভিনেতা রাজ চক্রবর্তী। অন্যদিকে, হুগলির উত্তরপাড়া থেকে তৃণমূলের টিকিটে লড়বেন অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। সোনারপুর দক্ষিণে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন অভিনেত্রী লাভলি মৈত্র। একইভাবে রাজারহাট-গোপালপুরে তৃণমূল প্রার্থী সদ্য দলে যোগ দেওয়া গায়িকা অদিতি মুন্সি।

কৌশানী মুখোপাধ্যায়কে কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসবা থেকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী সায়নী ঘোষ। অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী দাঁড়াচ্ছেন পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর থেকে। উত্তর ২৪ পরগনায় তাঁর পুরনো আসন বারাসত থেকেই লড়বেন অভিনেতা চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী। মেদিনীপুরে তৃণমূলের প্রার্থী অভিনেত্রী জুন মালিয়া। শিবপুরে প্রার্থী হচ্ছেন মনোজ তিওয়ারি।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দলের ২৭ বিধায়ক এবার আর তৃণমূলের টিকিট পাননি। এঁদের মধ্যে ৫ জন মন্ত্রীও রয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার প্রার্থী ঘোষণার সময় বলেন, “সিঙ্গুরে ‘মাস্টারমশাই’ রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের পরিবর্তে প্রার্থী হচ্ছেন বেচারাম মান্না। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দাঁড়াবেন দমদম উত্তরে। শারীরিক অসুস্থতার জন্য এবার নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না অমিত মিত্র এবং পূর্ণেন্দু বসু। ৮০-র ঊর্ধ্বে যাঁদের বয়স, তাঁদের এ বার টিকিট দেওয়া হচ্ছে না।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.