স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ভোটের মুখে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আজ, মঙ্গলবার সকাল ১১টায় তাঁকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হতে বলা হয়েছে। নোটিশের প্রাপ্তিস্বীকার করে কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, তিনি হাজিরা দেবেন।

ইডি সূত্রের খবর, সারদাকাণ্ডে বেশ কিছু নতুন তথ্য পেয়েছেন তাঁরা। এব্যাপারে কুণাল ঘোষের কাছ থেকে কিছু তথ্যের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন তাঁরা । সেজন্য মঙ্গলবার বেলা ১১টায় কুণালবাবুকে হাজির হতে বলা হয়েছে। এদিকে, ভোটের মুখে ফের সারদা মামলায় কুণাল ঘোষকে তলব করার নেপথ্যে রাজনৈতিক ‘অভিসন্ধি’ দেখছেন তৃণমূলের একাংশ। কুণাল এ বিষয়ে বলেন, “২০১৩ সাল থেকে সারদার তদন্ত চলছে। আগেও ইডি-কে সাহায্য করেছি। নিশ্চিত ভাবে আবারও সাহায্য করব। আগেও অনেক নথি জমা দিয়েছি। আরও এক বার নথিপত্র নিয়ে যাব ইডি দফতরে।”

সারদা-কাণ্ডে কুণাল ঘোষকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। ৩৪ মাস জেলে থাকতে হয়েছে কুণাল ঘোষকে।  এখন তিনি জামিনে রয়েছেন। সারদা তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। সিবিআইয়ের পাশাপাশি ইডি-ও তদন্ত করছে। উল্লেখ্য, প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদকে আগেও ২ হাজার ৪৫৯ কোটি টাকার আর্থিক তছরুপের মামলার তদন্তের জন্য একাধিকবার ডেকে পাঠিয়েছে ইডি।

আদালতে কুণালকে হাজির করানোর সময়, তিনি একাধিক বার শাসক দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। সেই সময় দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়। ৬ বছরের জন্য তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল নেতাকে। পরবর্তী কালে জামিন পাওয়ার পর তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব ঘোচে। সম্প্রতি কুণালকে তৃণমূলের মুখপাত্র করা হয়। সোমবার কুণাল বলেছেন, “তদন্তে সাহায্য করব। নিজেই ইডি অফিসারদের কাছে যাব। আইনজীবী পাঠাব না। কিন্তু জেলে বসে সুদীপ্ত সেন যাঁদের নাম লিখেছেন চিঠিতে, সে বিষয়েও তদন্ত করুক ইডি।”

ভোটের মুখে বিভিন্ন দুর্নীতিতে তদন্তের গতি তীব্র করেছে সিবিআই ও ইডির মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি। কয়লাপাচারকাণ্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা দেবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই গোয়েন্দারা। তবে সারদা ও রোজভ্যালিকাণ্ডের তদন্ত যেন থমকেই ছিল। সেই তদন্তেও এবার ডাক পড়ল কুণাল ঘোষের।

এদিন ১১টার আগেই সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে পৌঁছে যান তৃণমূলের মুখপাত্র। তিনি বলেন, ‘আমাকে যে যখন ডেকেছে, আমি সবসময় এসেছি। কেন্দ্রের হোক বা রাজ্যের। যে এজেন্সি ডেকেছে তদন্তে সহযোগিতা করেছি।’ এদিন ইডি দফতরে প্রবেশের আগে, ‘তৃণমূল মুখপাত্র বলেন, আমার যাবতীয় ডকুমেন্ট ওদের কাছে রয়েছে। তা সত্ত্বেও প্রয়োজনে আবার হাজিরা দেব। হাজার বার দেব। যতবার চাইবে, ততবার দেব।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।