স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া : মাত্র চারদিনের ব্যবধান। বিজেপি যুব মোর্চার মিছিলের পর হাওড়ায় ডুমুরজলা স্টেডিয়াম থেকে হাওড়া ময়দান মেট্রো চ্যানেল পর্যন্ত এবার মহামিছিল করল তৃণমূল। অরূপ রায়, ভাস্কর ভট্টাচার্য, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মিছিলে পা মেলান কয়েক হাজার তৃণমূল কর্মী সমর্থক।

তবে গত কয়েকমাস ধরে একাধিক তৃণমূল নেতার গলায় অচেনা সুর শোনা গিয়েছে। তার মধ্যে রয়েছেন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রাক্তন মন্ত্রী লক্ষীরতন শুক্লা ও বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়া। আর রবিবারের মিছিলে এদের তিনজনের মধ্যে কারও দেখা মিলল না। স্বাভাবিকভাবেই হাওড়ায় তৃণমূল নিয়ে জল্পনা বাড়ল এক ধাপ।

যদিও এদিনের মিছিল থেকে মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, “জনস্বার্থ বিরোধী কৃষি বিল প্রত্যাহারের দাবিতে এই মিছিল সংঘটিত করা হয়েছে। এটা তাঁদের দলীয় কর্মসূচি।”

‘গঙ্গার এপারে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা ধরার লোক পাওয়া যাবেনা’ , দিলীপ ঘোষের এই বক্তব্যের বিরোধিতা করে অরূপ রায় বলেন, “ওদের মিছিল মানুষ দেখেছে। আমাদের জেলার ১৬টা বিধানসভা আসনের মধ্যে ১৬টাই জিতে দেখিয়ে দেব বিজেপির পতাকা ধরার লোক থাকবে না।”

এদিনের মিছিলে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, লক্ষ্মীরতন শুক্লা, বৈশালী ডালমিয়ার মতো তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা উপস্থিত না থাকা প্রসঙ্গে অরূপ রায় জানিয়েছেন, সকলকেই এই মিছিলে অংশগ্রহণ করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কি কারণে আসেননি তা জানিনা। এই আন্দোলনে দলের লক্ষ লক্ষ কর্মী এককাট্টা আছেন বলে তিনি জানান।

কয়েকদিন আগেই দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন হাওড়ার তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসূনের অভিযোগ দলীয় নেতৃত্ব তাঁর সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখে না এমনকী সাংগঠনিক স্তরে রদবদল সম্পর্কেও তিনি কিছুই জানতে পারেন না৷ তাঁর দাবি, লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে হাওড়া শহর তৃণমূলের সভাপতি ঘোষণার পরেও দলের তরফে তাঁকে কিছুই জানানো হয়নি।

এরপরই ‘অভিমানী’ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে শনিবার সকাল থেকে শুরু হয় জোর চর্চা। তবে কি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলবদলের পথে হাঁটছেন, সেই প্রশ্নও ঘোরাফেরা করে রাজনৈতিক মহলে। আর তারপরই ক্ষোভ প্রশমনে আসরে নামল তৃণমূল। শনিবারই তাঁকে ফোন করে সমস্যার কথা জানতে চান সৌগত রায়। ফোনে কথা বলার পর দুক্ষেরই দাবি, সমস্যা মিটে গিয়েছে৷ প্রসূন দাবি করেন, দল ছাড়ার কোনও প্রশ্নই নেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।