মেদিনীপুর: বিভুরঞ্জন দাসের হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামল তৃণমূল৷ আর সেই মঞ্চ থেকেই বিজেপিকে হুঁশিয়ারি, সন্ত্রাস রুখতে বদ্ধপরিকর তৃণমূল৷ রাজনৈতিক মোকাবিলা হবে রাজনীতির পথেই৷ সোমবার কেশিয়াড়িতে এক মিছিল করে তৃণমূল৷ ছিলেন সাংসদ মানস ভুইঞ্যা, সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র, তৃণমূল জেলা সভাপতি অজিত মাইতি, বিধায়ক দীনেন রায় প্রমুখ৷

আরও পড়ুন: দাড়িভিটের জেরে শিক্ষক নিয়োগে পিছু হঠল রাজ্য সরকার

এদিনের প্রতিবাদ মিছিলে পা মেলান সাংসদ মানস ভুইঞ্যা৷ তিনি বলেন, ‘‘শান্ত জঙ্গলমহল ফের অশান্ত হয়ে উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন খুন হয়েছেন৷ সম্প্রতি বিজেপির ডাকা বনধের দিনে দোকান খুলে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে খুন হন এখানকার তরতাজা যুবক তৃণমূল কর্মী বিভুরঞ্জন দাস। বিজেপির খুনিরা মুখে কাপড় বেঁধে কাপুরুষের মতো এসে গুলি করে তাঁকে হত্যা করেছে৷’’

দলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, ‘‘এবার কিন্তু বিজেপির সন্ত্রাসের উপযুক্ত জবাব আমরাও দেব৷ তবে ওদের মতো কারও লাশ ফেলে নয়৷ কোনও মায়ের বুক খালি করে নয়৷ রাজনৈতিক মোকাবিলা রাজনৈতিক ভাবেই হবে৷’’ জেলা সভাপতি দিলীপ ঘোষকে এক হাত নিয়ে বলেন, ‘‘খড়গপুরের বিধায়ক দিলীপ ঘোষ আবোল-তাবোল কথা বলছেন। উষ্কানিমূলক কথা বলে মানুষের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়াচ্ছেন। কেশিয়াড়ি ও গোয়ালতোড়ে বিজেপি যদি সন্ত্রাস বন্ধ না করে তাহলে তৃণমূল কংগ্রেস কিন্তু ছেড়ে কথা বলবে না৷ বিজেপি যদি তৃণমূলের একজন কর্মীর গায়েও হাত দেয় তাহলে তার পরিণতি ভাল হবে না। এটা যেন বিজেপি মনে রাখে৷’’

আরও পড়ুন: মহালয়ার ভোরে এবার আর তর্পণ নয়! কেন জানেন?

অজিত মাইতির হুঁশিয়ারি, ‘‘আমাদের কর্মী বিভুকে যে বা যারা খুন করেছে তারা পালিয়ে গিয়েও বাঁচতে পারবে না। ধরা তাদের পড়তেই হবে। পুলিশ তাদের ঠিক খুঁজে বের করবে।’’ সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র এদিনের প্রতিবাদ-মঞ্চ থেকে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়ন বিজেপি দেখতে পারছে না, তাই যা পারছে বলছে৷ আর নিরীহ মানুষকে খুন করে কেশিয়াড়িকে অশান্ত করে তুলছে৷ তবে এসব যে বেশিদিন চলবে সে বার্তাই বারবার শোনা গেল তৃণমূল নেতা, কর্মীদের মুখ থেকে৷

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।