স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: রাতের অন্ধকারে ভাঙচুর চালানো হল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে।

শুক্রবার রাতের দিকে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পলতা এলাকায়। উত্তর বারাকপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে ভাঙচুর করে সবকিছু তছনছ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন- অবাধ মদ লাইসেন্সের বিরুদ্ধে আন্দোলনের পথে কংগ্রেস

দশমীর রাতে যখন সবাই দেবী দুর্গার বিসর্জনে মগ্ন তখনই ওই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ। প্লতা ব্রিক ফ্যাক্টরি লাগোয়া এলাকায় ওই পার্টি অফিসটি অবস্থিত। অদূরেই রয়েছে উত্তর বারাকপুর পুরসভা। ওই এলাকায় জনবসতি নেই বললেই চলে।

এই লোকজন না থাকার বিষয়টিকেই কাজে লাগিয়েছিল দুষ্কৃতী বা দুষ্কৃতীরা। পার্টি অফিসের ভিতরে ঢুকে ভাঙচুর করা হয়েছে টেবিল এবং চেয়ারে। ভেঙে দেওয়া হয়েছে টেবিলের উপরে থাকা কাঁচে। অনেক চেয়ার ভেঙে বাইরে রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন- উৎসবের মাঝে পদ্মশিবিরে শোকের ছায়া! প্রয়াত বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা

নষ্ট করা হয়েছে পার্টি অফিসের ভিতরে থাকা ফাইলপত্র। ভেঙে পার্টি অফিসের বাইরে ফেলে দেওয়া হয়েছে পার্টি অফিসের ভিতরে থাকা স্ট্যান্ড ফ্যান। স্থানীয় নবারুণ সংঘ ক্লাবের সামনে সেটিকে ফেলে রেখে আসা হয়।

আরও বড় বিষয় হচ্ছে, পার্টি অফিসের সামনে বোর্ডের উপরে রাখা মমতা বন্দ্যপাধ্যায়ের ছবির উপরেও চলেছে হামলা। মাঝখান থেকে চিরে দেওয়া হয়েছে সেই ছবি। একই সঙ্গে পার্টি অফিসে থাকা বেশ কিছু বড় ফ্লেক্স রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। যেগুলিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল।

এই পার্টি অফিস ভাঙচুরের বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন উত্তর বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় ঘোষ। তাঁর কথায়, “রাত দেড়টা নাগাদ ভাসান সেড়ে বাড়ি ফিরেছি। কোনও পার্টি অফিস ভাঙার খবর পায়নি।”

স্থানীয় কাউন্সিলর সুভাষ চন্দ্র দিগের অবশ্য এই ভাঙচুরের ঘটনায় কাঠগড়ায় তুলেছেন শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দলকেই। উত্তর বারাকপুর পুরসভার একমাত্র বাম কাউন্সিলর সুভাষ বাবুর কথায়, “ব্রিক ফ্যাক্টরির ওখানে একটা তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুর হয়েছে শুনেছি। এটা ওদের গোষ্ঠী কোন্দলের ফল। পুজোর ভাসান নিয়ে ঝামেলার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে।” সমগ্র বিষয় সম্পর্কে চেয়ারম্যান মলয় ঘোষ অবগত বলেও দাবি করেছেন তিনি। তাঁর মতে, “রাতে ঝামেলার পরে চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন শুনেছি।”

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ