স্টাফ রিপোর্টার, বনগাঁ: রেশন দুর্নীতি, আনফানের ত্রাণ দুর্নীতির পর এবার সরকারি অ্যাম্বুল্যান্সের ইঞ্জিন চুরিতে নাম জড়াল তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের। বাগদার বিজেপি বিধায়ক দুলাল বর পঞ্চায়েত প্রধান চায়না বিশ্বাস ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা।

আমফানের ত্রাণে দুর্নীতিতে বারবার নাম জড়াচ্ছে শাসক দলের। এর মধ্যেই সরকারি অ্যাম্বুল্যান্সের ইঞ্জিন চুরির অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের। সম্প্রতি বাগদার বিধায়ক দুলাল বর অভিযোগ করেছেন যে, ২০০৮ সালে বিধায়ক তহবিল থেকে হেলেঞ্চা পঞ্চায়েতকে তিনি একটি অ্যাম্বুল্যান্স দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন যে, তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান অ্যাম্বুল্যান্সের ইঞ্জিনটি খুলে এলাকারই একটি গ্যারাজে বিক্রি করে দিয়েছে।

MCএই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই গ্যারেজ মালিক মুকুল সরকারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রামবাসীদের তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, মাত্র ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে অ্যাম্বুলেন্সের ইঞ্জিন খুলে বিক্রি করে দিয়েছেন চায়না বিশ্বাস। এই ঘটনার পর গোটা এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে গ্যারেজের মিস্ত্রি ওই অ্যাম্বুলেন্সের ইঞ্জিন খুলে অন্য একটি গাড়িতে লাগানোর সমায় হাতেনাতে ধরা পড়ে। এরপর এলাকাবাসী তাঁকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ওই মিস্ত্রি সরাসরি গ্যারেজ মালিক মুকুল সরকারের নাম বলে। গ্যারেজ মালিক মুকুল সরকারকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেন, পঞ্চায়েত প্রধান চায়না বিশ্বাস ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ওই ইঞ্জিনটিকে বিক্রি করে দিয়েছেন। এরপর এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ এসে মুকুল সরকারকে গ্রেফতার করে। ঘটনার তদন্তও শুরু করেছে পুলিশ।

এ প্রসঙ্গে পঞ্চায়েতের তরফে বলা হয়েছে যে, দীর্ঘদিন আগেই অ্যাম্বুল্যান্সটি খারাপ হয়ে পড়েছিল। সেই কারণে সেটিকে সরিয়ে রাখা হয়েছে। অভিযুক্ত পঞ্চায়েত প্রধান চায়না বিশ্বাসের কথায়, দুলালবাবু রাজনৈতিক স্বার্থে মিথ্যে অভিযোগ করছেন। এই ঘটনার প্রসঙ্গে প্রাক্তন তৃণমূলী দুলাল বর ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন, কোনদিন এরা পঞ্চায়েত অফিসটাই বিক্রি করে দেবে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ