স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ভোটমুখী রাজ্যে প্রথমে ‘দুয়ারে সরকার’, তারপর ‘পাড়ায় পাড়ায় সমাধান’-এর মতো নতুন নতুন কর্মসূচি নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রশাসনের কর্তাদের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় হাজির করিয়েছেন তিনি৷ এবার আমজনতার মন জয় করতে দলের নেতা-কর্মীদের ‘ঘরে ঘরে’ পাঠাচ্ছেন তিনি৷

বুধবারই নতুন কর্মসূচির ঘোষণা করেছে তৃণমূল৷ দলের নেতাদের-কর্মীদের সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার, জনসংযোগ করতে হবে৷ এই বিশেষ কর্মসূচিতে মমতা সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান জনতার ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে। এমনকি এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গেও কথা বলতে হবে৷ বিধায়ক থেকে শুরু করে প্রথম সারির নেতারাও সামিল হবেন এই কর্মসূচিতে। ২১ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে এই কর্মসূচী৷ চলবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত৷

‘প্রত্যেক বিধায়ককে নিজের বিধানসভায় জিততেই হবে।’ বিধায়কদের উদ্দেশে এই বার্তাই দিয়েছেন দলনেত্রী৷
নেতাদের রীতিমতো হোমটাস্ক দিয়ে দিয়েছেন তিনি। তা নিজের এলাকায় এলাকায় পালন করতে হবে বিধায়কদের।

ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘দুয়ারে সরকার’ প্রকল্প থেকে দারুণ সাড়া পাওয়া গিয়েছে৷ মুখ্যমন্ত্রী টুইট করে জানিয়েছেন, ঠিক ৩৯ দিনের মাথায় ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্পে সুবিধাভোগীর সংখ্যা ছুঁয়ে ফেলল ২ কোটি।এর মধ্যে অবশ্যই সরকারি স্বাস্থ্যবিমা ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পের গ্রাহকের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। শুধুমাত্র ‘দুয়ারে সরকার’ শিবির থেকে কোন সরকারি প্রকল্পে কতজন সুবিধা পেলেন, তার বিস্তারিত পরিসংখ্যান তুলে টুইট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি জানিয়েছেন, এর মধ্যে ৬২ লক্ষ মানুষ শুধুমাত্র ‘স্বাস্থ্যসাথী’র সুবিধা পেয়েছেন। তপসিলি জাতি-উপজাতির শংসাপত্র নিয়ে দীর্ঘ জটিলতা কাটিয়ে প্রায় ৭ লক্ষ শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে এই ক্যাম্প থেকে। এছাড়া ৪ লক্ষ চাষি ‘কৃষকবন্ধু’ প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন। টুইটে পরিসংখ্যান-সহ পরিষেবার যাবতীয় তথ্য তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া শিবির থেকে কন্যাশ্রী, শিক্ষাশ্রী, আদিবাসীদের জন্য ‘জয় জহর’ প্রকল্পেরও সুবিধা পেয়েছেন অনেকে। তবে এরমধ্যেও অনেক ছোট ছোট সমস্যা থাকে, যার জন্য প্রশাসনের দোরে দোরে ঘুরতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়েছে সাধারণ মানুষকে৷ এই ধরনের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ‘পাড়ায় পাড়ায় সমাধান’ চালু করেছে মুখ্যমন্ত্রী৷

উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটারদের ঘরে ঘরে পৌঁছনোর লক্ষ্য নিয়েছে বিজেপি। রাজ্যের শাসক দলের ‘দুয়ারে সরকার’-এর পাল্টা হিসাবে ‘আর নয় অন্যায়’ কর্মসূচির পালন করছে রাজ্য বিজেপি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।