নয়াদিল্লি: পশ্চিমবঙ্গ নয়, নাম হোক ‘বাংলা’। আর তা নিয়ে কার্যত কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত। জুলাই মাসের ৩ তারিখ সংবিধান সংশোধনের দোহাই দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবিত ‘বাংলা’ নাম খারিজ করে দেয় মোদী সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে বুধবার তৃণমূলের প্রতিনিধি দল দিল্লিতে তাঁর সাথে দেখা করেছেন। সেই মুলাকাতকে সৌজন্যের রাজনীতির উদাহরণ করে রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সৌজন্য আদানপ্রদানে পিছিয়ে নেই ঘাসফুলও শিবিরও।

বুধবার সংসদে সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে ঘাসফুল শিবিরের এই প্রতিনিধি দল। যেখানে উপস্থিত ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, মহুয়া মৈত্র, সৌগত মুখোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ ব্রায়েন এবং আরও অনেকে। সাথে উপস্থিত ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সকলের সাথে কুশল বিনিময়ের পর অভিষেকের থেকে প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, চোখ কেমন আছে। অভিষেক উত্তরে বলেন দু’বার অস্ত্রোপচার হয়েছে। আরও একবার করাতে হবে। কোথায় চিকিত্সা করাচ্ছে, এই প্রসঙ্গে এই তরুন রাজনীতিক বলেন হায়দ্রাবাদ। প্রসঙ্গত, সড়ক দুর্ঘটনায় চোখে গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

জানা গিয়েছে, তৃণমূলের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, রাজ্য বিধানসভায় বাংলার নাম পরিবর্তন সর্বসম্মতিতে পাশ হয়েছে। অথচ সেটি নিয়ে গরজ দেখাচ্ছে না কেন্দ্রীয় সরকার। আপনি বিষয়টি একবার নিজে থেকে দেখুন। প্রধানমন্ত্রী তৃণমূল সাংসদদের কথা মন দিয়ে শুনেছেন। বিষয়টি পুনঃবিবেচনা করার আশ্বাসও দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

এই বিষয়ে জেনে রাখা ভালো যে, বিজেপি বিধায়করা সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন কোনও ভাবেই পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলা নাম করা যাবে না। তাঁদের মতে,পশ্চিমবঙ্গ নামের সঙ্গে দেশভাগের আবেগ এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নাম জড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকার ‘বাংলা’ নামেই অনড়। কেন্দ্রের তরফে বাংলা নাম খারিজ করে দেওয়ার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহকে চিঠি লেখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাম আমলেই শুরু হয়েছিল রাজ্যের নাম বদলের উদ্যোগ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বেশি দূর গড়ায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ক্ষমতায় আসার পর চেয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলাতে। কিন্তু যে কোনও কারণেই বিষয়টা ধামাচাপাই ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসের গোড়াতেই হঠাত্ নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে রাজ্য মন্ত্রিসভায় পশ্চিমবঙ্গ নাম বদলে ফেলার প্রস্তাব পাস ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।