ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের ক্ষোভ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। তাঁর সাফ কথা, “পরিযায়ী শ্রমিকরা জামাই আদর চাইছেন, তা দেওয়া সম্ভব নয়।” কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের ক্ষোভ বাড়ছে।

সে প্রসঙ্গে শনিবার সাঁইথিয়ার আমোদপুরে প্রশাসনিক বৈঠক থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের শতাব্দী বলেন, “পরিযায়ী শ্রমিকরা সবাই কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে জামাই আদর পেতে চাইছেন, তা দেওয়া কোনওভাবেই সম্ভব নয়। এক সঙ্গে এত জন রয়েছেন, কেউ মাছ পেলে বলছেন মাংস পাইনি, কেউ মাংস পেলে বলছেন ডিম পাইনি। এভাবে কী করা যাবে! বাড়িতে এক জন আসা আর হাজার জন একসঙ্গে আসা তো এক ব্যাপার কখনই হতে পারে না।” পরিযায়ী শ্রমিকদের একটু মানিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

প্রসঙ্গত, খাবার না পাওয়ার অভিযোগ তুলে শুক্রবার দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি এলাকার একটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার ছেড়ে ৯ জন পরিযায়ী শ্রমিক গ্রামে চলে যান। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তাঁরা কোনও খাবার পাননি বলে জানান। অন্যদিকে, এই একই অভিযোগে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার একটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকে ২৬ জন পরিযায়ী শ্রমিক চলে গিয়েছে বলে খবর।

file pic

এদিকে, কোয়ারেন্টাইন সেন্টারকে ‘মানুষের খোঁয়াড়’ বলে কটাক্ষ করেছেন বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, “কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে লোকে না পাচ্ছে খাবার না পাচ্ছে জল। মুখ্যমন্ত্রীর খাতায়-কলমে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার চলছে। মানুষ কি পেল না পেল সে সব দেখার দরকার নেই। প্রতিটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের অবস্থা দুর্বিষহ।” কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের অবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জানোয়ারকে রাখার জন্য যেন খোঁয়াড় বানানো হয়েছে।”

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও