প্রতীতি ঘোষ, দেগঙ্গা : ‘করোনার থেকে ভয়ংকর কে জানেন ? করোনার থেকে ভয়ংকর বিজেপি। একটু চোখ কান খোলা রাখবেন, নিজেরাই বুঝতে পারবেন । বিজেপি বাংলার কৃষ্টি, সৃষ্টি, কালচার জানে না । ওরা শুধু টাকা চেনে । ভিন রাজ্য থেকে ওদের নেতারা মাসে ২ দিনের জন্য আসছে, চলে যাচ্ছে । ওদের কিন্তু পরে পাশে পাবেন না ।’

বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গায় দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বিজেপি সম্পর্কে ফের এমনই মন্তব্য করেন সাংসদ নুসরত জাহান। এদিন তিনি আরও বলেন, “একবার আমাদের দিদির দিকে তাকিয়ে দেখুন সব সময় আপনাদের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। ওদের শুধু টাকা আছে। টাকা দিয়ে মানুষের মন জেতা যায় না। তাই আপনারা চোখ কান খোলা রাখবেন, নিজেরাই বুঝতে পারবেন কি করতে হবে ?”

শুধু তাই নয় এদিন তিনি দেগঙ্গা এলাকার বাসিন্দাদের হাতে শীত বস্ত্রও তুলে দেন । একুশের ভোটে বাংলা দখলে মরিয়া গেরুয়া শিবির। সেই লক্ষ্যেই আসন্ন বিধানসভা ভোটের রণনীতি ঠিক করতে আজ দিল্লিতে বঙ্গ বিজেপির নেতারা।

দলের সদর দফতরে বেলা তিনটে নাগাদ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোট নিয়ে জরুরি আলোচনা। জেপি নাড্ডা, মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষদের পাশাপাশি বৈঠকে থাকতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা অমিত শাহ।

বিধানসভা ভোটের পারদ চড়ছে। একদিকে, ‘উন্নয়ন’-কে হাতিয়ার করে বাংলায় ক্ষমতা ধরে রাখতে তৎপর শাসকদল তৃণমূল। অন্যদিকে, তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বাংলা দখলে মরিয়া পদ্ম শিবির।

রাজ্যজুড়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। বিধানসভা ভোটের আগে দলের সংগঠনকে চাঙ্গা করাই এখন গেরুয়া শিবিরের মূল লক্ষ্য। জেলায়-জেলায় ছোট-ছোট কর্মিসভা করে সেই তৎপরতাই নিচ্ছেন দলের নেতারা। অন্যদিকে, ভোট ময়দানে লড়াইয়ে বাম-কংগ্রেসও। নিজেদের মতো করে কর্মসূচি সাজিয়ে সংগঠন মজবুত করার চেষ্টায় দুই দল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।