কলকাতা: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণকে বিষাক্ত সাপের সঙ্গে তুলনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি যেভাবে অর্থনীতিকে দেখভাল করছেন সেই বিষয়ে এমন বক্তব্য ছুঁড়ে দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। এই বিষয়ে বিজেপির তরফে একাধিক প্রতিক্রিয়া এসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের ব্যাক্তিত্বদের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন বলেও মনে করছেন অনেকে। এবার বিজেপির অন্যতম মুখপাত্র সম্ভিত পাত্র মনে করেন ঐ তৃণমূল সাংসদ নারীবিদ্বেষী শুধু তাই নয় বর্ণবিদ্বেষীও।

বাঁকুড়ায় একটি প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত হয়ে ক্রমবর্ধমান পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি, রেলের বেসরকারিকরণ ইস্যুতে তোপ দেগে নির্মলা সীতারমণের পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “যেভাবে বিষাক্ত সাপ মানুষকজে নিমেশে শেষ করে দেয় সেভাবেই দেশের মানুষ অর্থনীতিতে নির্মলা সীতারমণের সিদ্ধান্তের জন্য শেষ হয়ে যাচ্ছেন”। এছাড়াও নির্মলা সীতারমণকে বিশ্বের জঘন্যতম অর্থমন্ত্রীর তকমাও দিয়েছেন তৃণমূলের লোকসভা সাংসদ।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সাংসদ হওয়ার আগে দিলীপ ঘোষের ২ কামড়ার বাড়ি ছিল। এক বছরেই মধ্যেই ১৬ ঘরের বাড়িতে। কোটি টাকার বাড়ি। প্রোমোটার না কি বিনা পয়সায় থাকতে দিয়েছে। লজ্জা করে না? জন প্রতিনিধি ফ্রিতে থাকবেনই বা কেন? আর ১৮ টা দেহরক্ষী লাগে ওঁর। যাঁদের এত দেহরক্ষী লাগে, দিলীপ ঘোষের মতো নেতাদের শাড়ি পরে রাজনীতি করা উচিত”।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিতর্কিত মন্তব্যে রীতিমত ক্ষুব্দ রাজ্যের নেতা কর্মীরা। রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, দলীয় নেতা কর্মীদের ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ উঠে গেছে তণমূল সুপ্রিমোর। গোটা দলটাই দূর্ণীতিগ্রস্ত। মানুষের নজর ঘোরাতে এই জাতীয় বিতর্কিত মন্তব্য করা হচ্ছে বলেও তাঁর অভিযোগ।

দিলীপ ঘোষ আরও বলেন দলীয় নেতা কর্মীরা অনেক সময় হতাশা গ্রস্ত হয়েও এই জাতীয় মন্তব্য করেছেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নির্মলা সীতারমন কে যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন তার নিন্দা করেছেন রাজ্যেরই বহু মানুষ। রাজনৈতিক মন্তব্য শালীনতা বজায় রাখা উচিৎ বলেও দাবি করেছেন অনেকে।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের তরফে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যপাধ্যায়ের দলীয় নেতৃত্বের দিকে আঙুল তুলেছেন। কয়েকদিন আগে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেছিলেন, নরেন্দ্র মোদীর ছাতি ৫৬ ইঞ্চি থেকে ২৬ ইঞ্চিতে নেমে গিয়েছে তা বাংলার মানুষ বুঝে গিয়েছে বলেও দাবি জানিয়েছিলেন তিনি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ