তমলুক: লোকসভায় খারাপ ফল হওয়ার পর অনেকটাই বদলে ফেলার চেষ্টা করছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন করে শুরু হয়েছে ক্যাম্পেন। এসেছে স্ট্র্যাটেজিস্ট। কিন্তু দলীণ নেতাদের মন্তব্যই ফের বিপাকে ফেলে দিচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীকে।

তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী বলে বসলেন, অস্বীকার করার উপায় নেই, জমির সঙ্গে নেতাদের সম্পর্ক ছিল না। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের কম আসন পাওয়া প্রসঙ্গে এমনটাই মত তাঁর।

তিনি বলেন, মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক রাখেননি নেতারা। কোলাঘাটে এক অনুষ্ঠানে গিয়ে সাংসদ বলেন, সময় পেলেও, নিচুতলার অনেক নেতাই বদলাননি। তবে তৃণমূল সাংসদের দাবি, ইডি, সিবিআই, অনকাম ট্যাক্স দেখালেও, ভয় পাওয়ার কারণ নেই।

রবিবার ওই সভায় দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, তাঁরা দেখেছেন, জায়গায় জায়গায় তৃণমূলের অনেক নেতার সঙ্গে মটির কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি মনেকরেন, মানুষের সঙ্গে যে যোগাযোগ রাখা উচিত ছিল, তা রাখতে ব্যর্থ হয়েছিল অনেক স্থানীয় নেতৃত্ব, যেই কারণে এই ভরাডুবি।
এখানেই শেষ নয়। ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, দল চালাতে গিলে বিচ্যুতি নজর এসেছিল। সময় দেওয়া হলেও সেই বিচ্যুতি সামাল দেওয়া হয়নি অনেক জায়গায়। কেউ কেউ নাকি ইচ্ছা করেই মানেননি সেটা।

তৃণমূল সাংসদ আরও বলেন, দলে থেকে যাঁরা বিশ্বাসঘাতকতা করছেন, তাঁদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করুন। পরবর্তী সময়ে তাঁদের দল থেকে বিচ্ছিন্ন করার ডাকও দেন তিনি।

রাজ্যের বিজেপির সাফল্য স্বীকার করে নিয়ে দিব্যেন্দু অধিকারীকে বলতে শোনা গিয়েছে, ১৮ টি আসনে জিতেছে বিজেপি। তবে দলীয় কর্মী সমর্থকদের অভয় দিয়ে দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, আগামী ২৫ বছর বাংলায় ক্ষমতায় থাকবে তৃণমূল।