স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: করোনা আবহের মধ্যে নতুন সঙ্কটে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা। ভিন্‌ রাজ্যের নার্সরা ক্রমশ বাংলা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। এই সময় নার্সদের হাত জোড় করে বাংলায় থাকার আবেদন করলেন ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারী।

ভিন রাজ্যের নার্সদের রাজ্য ছাড়ার সংখ্যা কার্যত দ্বিগুণ হয়েছে শনিবার। এ দিন ভিন্‌ রাজ্যের আরও ১৬৯ জন নার্স বাড়ি ফিরে গিয়েছেন বলে খবর। যার জেরে স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে বড়সড় সঙ্কটের মুখে কলকাতার একাধিক বেসরকারি হাসপাতাল।

দেব বলেন- “এই মুহূর্তে ওরাই ঈশ্বর ছিল। চরম মুহুর্তে ওদের চলে যাওয়াটা দুঃখজনক। হাত জোড় করে অনুরোধ করছি ওদের থাকার জন্য। আমাদের ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে ক্ষমা করে আমাদের কাছে থাকুন। এই মুহূর্তে আপনাদের সবচেয়ে বেশি দরকার।”

নার্সদের রাজ্যত্যাগ আটকাতে ইতিমধ্যেই নার্সিং কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া ও রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহাকে চিঠি দিল এসোসিয়েশন অফ হসপিটাল অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া। এটি পূর্ব ভারতের বেসরকারি হাসপাতালগুলির সংগঠন।

চিঠিতে রাজ্য সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছে, মণিপুর, ত্রিপুরা, ওডিসা ও অন্য রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলুক রাজ্য সরকার। নার্সদের এরাজ্যেই কাজ করতে বলা হোক।

এর পাশাপাশি নার্সিং কাউন্সিলকেও আবেদন করা হয়েছে, এই সঙ্কটের সময়ে নার্সদের নিজেদের কাজের জায়গায় কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিক তারা। না হলে এরাজ্যে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সঙ্কট দেখা দেবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।