কলকাতা: লোকসভা ভোটের আগে শাসকদলকে চাপে ফেলে বিজেপিতে যোগ দেন অর্জুন সিং। আর এরপরই ভাটপাড়া পুরসভা হাতছাড়া হয় বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের বেতাজ বাদসা অর্জুনের। তাঁর বিরুদ্ধে পুরসভায় অনাস্থা আনলে মাত্র কয়েকটি ভোট পায় অর্জুন। আর ২২টি ভোট পড়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে। যার ফলে চেয়ারম্যান পদ থেকে সরতে হয় অর্জুন সিংকে। কার্যত লড়াইয়ের শুরুতেই লজ্জার হার হয়।

কিন্তু ভোট মিটতে না মিটতেই সেই প্রেস্টিজিয়াস ফাইটে বড় জিত অর্জুন সিংয়ের। শাসকদল তৃণমূলকে জোর ধাক্কা তাঁর হারানো পুরানো গড় ফের ফিরে পেলেন অর্জুন।

এরপরেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয় বারাকপুর লোকসভার বিজেপির ভাবী সাংসদ। তিনি বলেন, দলবদলকারী কাউন্সিলররা তাঁর নিজে হাতে তৈরি। ফলে বেশিদিন তাঁরা যে আমাকে ছেড়ে থাকতে পারবে না সেব্যাপারে নিশ্চিত ছিলাম। আমাদের মধ্যে কোনও বিভেদ নেই। তৃণমূল বিভেদ তৈরি করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেন বিজেপির সাংসদ। শুধু তাই নয়, অর্জুন সিং আরও বলেন, ঘরের ছেলেরা ঘরে ফিরেছে। ওদের ভুল বোঝানো হয়েছিল বলেও দাবি তাঁর। তবে বোর্ড যে ভারতীয় জনতা পার্টিরই হবে তা কার্যত একপ্রকাশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন তৃণমূলের প্রাক্তন এই সাংসদ। তবে তাঁর আরও দাবি, তৃণমূল দলটা শেষ হয়ে যাবে । আগামিদিনে তাঁর এলাকার সব পঞ্চায়েতও যে বিজেপির দখলে আসতে চলেছে তা কার্যত একপ্রকাশ নিশ্চিত অর্জুন।

প্রসঙ্গত, ভাটপাড়া পুরসভা দখলের পথে অর্জুন সিং। মঙ্গলবার, অর্জুনের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন ১২ কাউন্সিলর। ভাটপাড়ার মোট ৩৫ টি আসন। যার মধ্যে এদিন ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলর দলবদল করে বিজেপিতে যোগ দিলেন।

যদিও লোকসভা ভোটের আগেই ভাটপাড়ার ১১ জন তৃণমূলের কাউন্সিলর তৎকালীন বোর্ড চেয়ারম্যান অর্জুন সিংয়ের পক্ষে ভোট দেন। কিন্তু ভোট মিটতে না মিটতেই রাজনৈতিক পরিবর্তন। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন ১২ কাউন্সিলার। ফলে বোর্ড গঠন করার ক্ষেত্রে ম্যাজিক ফিগার গেল বারাকপুরের ভাবী সাংসদ অর্জুনের পকেটেই। ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে ভাটপাড়া পুরসভা বিজেপির দখলে যাওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I