নয়াদিল্লি: সোমবারই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন তৃণমূল বিধায়ক সুনীল সিং। সঙ্গে থাকবেন ১২ জন কাউন্সিলর।

ইতিমধ্যেই দিল্লিতে বিজেপির হেডকোয়ার্টারে পৌঁছে গিয়েছেন সুনীল সিং ও তাঁর সঙ্গীরা। বিজেপি হেডকোয়ার্টারে দাঁড়িয়ে তাঁদের সেই ছবি ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে।

বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন সোমনাথ তালুকদার। তৃণমূল বোর্ডের আমলে ভাটপাড়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। বিজেপি বোর্ডে তাঁকেই ফের ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়েছে। সোমনাথবাবু ভাইস চেয়ারম্যান হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগদান করেননি

শুধু নোয়াপাড়ার বিধায়কই নন, তৃণমূল কংগ্রেস দলের গারুলিয়া পুরসভার পুর প্রধান সুনীল সিং।

খোদ চেয়ারম্যানের দলত্যাগে গারুলিয়া পুর বোর্ড এরফলে তৃণমূলের হাত ছাড়া হতে চলেছে। উল্লেখ্য, গারুলিয়া পুরসভায় মোট ২১ টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে ১৯ টি ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে। বাকি দুটি আসনের মধ্যে ১ টি ছিল কংগ্রেসের ও একটি ফরোয়ার্ড ব্লকের দখলে।

অর্জুনের বিজেপি যোগের পরেই রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয় যে, যে কোনও সময়ে নাকি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন সুনীল সিং। অর্জুন এবং সুনীল দুজনে শালা-ভগ্নিপতি। কার্যত অর্জুন সিংয়ের সৌজন্যে রাজনীতিতে উত্থান সুনীল সিংয়ের।

গত বিধানসভা উপনির্বাচনে অর্জুনের জন্যেই টিকিট পেয়েছিলেন সুনীল। স্বভাবতই অর্জুনের বিজেপি যোগের পরেই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা তৈরি হয় যে কোনও মুহূর্তে দলবদল করতে পারেন ভগ্নিপতিও। যদিও ভোটে মিটে গেলেও বিজেপিতে যোগ দেননি তিনি।

সুনীলপুত্র আদিত্যর বিজেপিতে যোগ এবং সুনীলের বাড়িতে অর্জুন সিংয়ের উপস্থিতি নিয়ে তাঁর বিজেপিতে যোগদান নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে ওঠে৷

তবে সুনীল সিং জানিয়েছিলেন, তাঁর কাছে কোনও অফার নেই৷ তিনি বাচ্চা নন, যে অফার এলেই তিনি চলে যাবেন৷ দলের সঙ্গেই তিনি রয়েছেন বলে দলবদলের মরসুমে একপ্রকার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন সুনীল সিং।