কলকাতা: প্রয়াত রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার সুকুমার হাঁসদা। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। মারণ-রোগ ক্যান্সারে ভুগছিলেন ঝাড়গ্রামের তৃণমূল বিধায়ক। পরে করোনাভাইরাসও বাসা বাঁধে তাঁর শরীরে। একটানা বেশ কয়েকদিন চিকিৎসা চলার পরে বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব পেয়েছিলেন ঝাড়গ্রামের তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার হাঁসদা। পরে পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যানও করা হয়েছিল তাঁকে। ঝাড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে পরপর দু’বার তৃণমূলের টিকিটে জেতেন তিনি। বর্তমানে রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার পদে ছিলেন সুকুমার হাঁসদা।

দিন কয়েক ধরেই শারীরিক নানা প্রতিবন্ধকতা দেখা দিয়েছিল। মারণ রোগ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে শরীরটা আরও ভেঙে পড়েছিল। প্রথমে কলকাতায় এনে তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

পরে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়। প্রথমে ক্যান্সারের চিকিৎসা করাতেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সুকুমার হাঁসদাকে। তবে হাসপাতালে ভর্তির পরেই তাঁর কোভিড টেস্ট হয়েছিল। তাঁর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল।

একটানা কয়েকদিন অত্যন্ত সংকটজনক ছিলেন তিনি। শেষমেশ চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে বৃহস্পতিবার সকালে বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার তথা ঝাড়গ্রামের তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার হাঁসদার। তাঁর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রয়াত নেতার আত্মীয়স্বজন, বন্ধু ও পরিবারের সদস্যসদের সমবেদনা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।