কলকাতা: আজ সোমবার হুগলির পুরশুড়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় অনুপস্থিত বিক্ষুব্ধ বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল (Prabir Ghosal)৷ যা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা৷ তৃণমূলে বিক্ষুব্ধের তালিকায় নতুন সংযোজন উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল৷ এ দিন তিনি যাচ্ছেন না বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক৷

দলের আশঙ্কা বাড়িয়ে তিনি আরও জানিয়েছেন, যা বলার মঙ্গলবারই বলবেন৷ বিদ্রোহী প্রবীর ঘোষালের কথায় গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব৷ পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘কে এলো, কে গেল তাতে কিছু আসে যায় না৷’তবে পুরশুড়ার সভায় হাজির হয়েছেন আরামবাগের সাংসদ অপরূপা পোদ্দার৷

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেছিলেন,অপরূপাও বিজেপি-তে যোগ দেবেন৷ এর আগে তৃণমূলের হুগলি জেলার উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল (Prabir Ghosal)। দলের সাংগঠনিক রদবদল থেকে সরকারি প্রকল্পের কাজ নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেন তিনি৷

বিধানসভা নির্বাচনের মুখে দলের কার্যকলাপকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করালেন বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। দলের সংগঠনে রদবদল হলেও, তা আদপে কতটা ফলপ্রসূ হয়েছে? তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি৷ রাস্তা না হওয়ায় সরকারি কাজ নিয়েও ক্ষোভ দেখান উত্তরপাড়ার বিধায়ক৷

তিনি বলেন,”উন্নয়নে ঘাটতি থেকে গিয়েছে। সেটা মানুষের মধ্যে একটা বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।” আর সেটা শুধু তাঁর কেন্দ্রে নয়, বিভিন্ন জায়গাতেই বলে দাবি করেছেন প্রবীর ঘোষাল। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “এগুলোর সমাধান করতে না পারলে একুশের লড়াই কঠিন হবে।”

তার আগেও জেলায় দলের কাজ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রবীর ঘোষাল। লোকসভা নির্বাচনে হুগলি আসনে তৃণমূল হেরে যায় বিজেপির লকেট চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। সেই সময় প্রবীর ঘোষালকে বলতে শোনা গিয়েছিল, কিছু তৃণমূল নেতার মাতব্বরির জেরে বিজেপির কাছে হেরেছে তৃণমূল।

নির্বাচনের পরে শেওড়াফুলির সত্যজিৎ ভবনে তৃণমূলের এক সভায় তিনি বলেছিলেন, নিজেদের সব মাতব্বর মনে করছি। তাই হেরে গিয়েছি। নিজেদের সংশোধন না করেই বিজেপিকে শত্রু মনে করছি।

সেই সময় কয়েকজন বাধা দিলে প্রবীর ঘোষাল বলেছিলেন, তিনি তাঁর অবস্থানে ঠিক থাকবেন। তাঁকে থামানো যাবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।