নয়াদিল্লি: মঙ্গলবারের পর ফের বুধবার। দলবদল জারি। বিজেপিতে যোগ দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক মনিরুল ইসলাম। যোগ দিলেন আরও তিন নেতা নিমাই দাস, গদাধর হাজরা ও আসিফ ইকবাল।

বুধবার দিল্লিতে বিজেপির হেডকোয়ার্টারে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন এই চার নেতা। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গী ও মুকুল রায়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অহঙ্কারের জন্যই নেতাদের বাংলায় কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে। তাই এই নেতারা বিজেপি যোগ দিচ্ছেন ও মোদীর সঙ্গে উন্নয়নের কাজ করতে চাইছে বলে দাবি করেন কৈলাশ বিজয়বর্গী।

মণিরুল ইসলমাব বিরভূমের লাভপুরের বিধায়ক। আর গদাধর হাজরা বীরভূমের নানুরের প্রাক্তন বিধায়ক। বর্তমানে তিনি ছিলেন বীরভূমের তৃণমূলের যুব সভাপতি। আসিফ ইকবালও বীরভূমের যুব তৃণমূল নেতা। এই চার নেতার যোগদান খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন মুকুল রায়।

উল্লেখ্য, এই চার নেতার সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের সম্পর্ক ভাল নয় বলেই জানা গিয়েছে। আর বীরভূমের দুটি লোকসভা কেন্দ্র বীরভূম ও বোলপুরে তৃণমূল চুরি করে জিতেছে বলে মন্তব্য করেছেন মুকুল রায়।

মঙ্গলবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু। হেমতাবাদ বিধানসভার বাম বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায় এবংতৃণমূলের তুষারকান্তি ভট্টাচার্য। কাচরাপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান সহ ১৭ জন কাউন্সিলর এবং হালিশহর পুরসভার ২৪টি আসনের মধ্যে ১৭ জন তৃণমূল কাউন্সিলর বিজেপিতে যোগ দেন।

আগামিদিনে, আরও বিধায়ক ও নেতা বিজেপিতে যোগ দেবেন বলে একাধিকবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুকুল রায়। বিজেপির অন্যান্য নেতারাও এমন দাবি করেছেন।

একই দাবি করেছেন সদ্য বিজেপিতে আসা বীরভূমের আরও এক বিজেপি নেতা। অনুপম হাজরা তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘‘অন্তত ২ জন প্রাক্তন এমপি, ৭জন এমএলএ, ৩০জন তৃণমূল কাউন্সিলর এবং ছজন জনপ্রিয় টলিউড সেলেব বিজেপিতে আসছে আগামী একমাসের মধ্যে৷’’ অনুপমের এই পোস্ট মুনমুন রাইমা সহ অন্য আরও চার টলিউড সেলেবের বিজেপি যোগের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ৷

দেশে এবং বিদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে টানা দু'দশক ধরে কাজ করেছেন । বাংলাদেশ থেকে মুখোমুখি নবনীতা চৌধুরী I