স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেন শিবপুরের বর্ষীয়ান তৃণমূল বিধায়ক জটু লাহিড়ী। করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে কলকাতার আর এন টেগোর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আপাতত সেখানেই পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি।

সোমবার জটুবাবুর রক্তচাপ নেমে যাওয়ায় তাঁকে ভর্তি করা হয় স্থানীয় নারায়ণী হাসপাতালে। সেখানে করোনা পরীক্ষার জন্য জটুবাবুর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। মঙ্গলবার রিপোর্ট আসে পজিটিভ। তারপর তাঁকে ওই বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

জানা গিয়েছে, ৮৫ বছর বয়সী এই বিধায়কের অবস্থা স্থিতিশীল। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের জীবনাবসানের পর বিধানসভায় তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন জটু লাহিড়ী। মঙ্গলবাফ বর্ষীয়ান বিধায়কের করোনা আক্রান্ত হতেই শাসক শিবিরে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

উল্লেখ্য, এদিন সপরিবারে করোনা পরীক্ষা করিয়েছিলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কিন্তু তাঁদের সবার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। টুইট করে নিজেই সেকথা জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী। এর আগে তৃণমূলের বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি করোনায় কাবু হয়েছেন।

দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু প্রথম করোনা আক্রান্ত হন। হাসপাতালে চিকিৎসার পর তিনি সুস্থ হয়ে যান। পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষ ও তাঁর ছেলের শরীরে থাবা বসিয়েছিল করোনা ভাইরাস। ফলতার বিধায়ক তমোনাশ ঘোষ প্রাণ হারিয়েছেন করোনায়। এছাড়া দক্ষিণ দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদের দুই বিধায়কের করোনা রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার ফের বাড়ল আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা৷ একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের বেশি৷ আক্রান্ত আরও ২,৭৫২ জন৷ তবে সুস্থ হয়ে উঠার হার ৭০ শতাংশের বেশি৷

মঙ্গলবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, একদিনে বাংলায় মৃত্যু হয়েছে ৫৪ জনের৷ এটাই একদিনের হিসেবে সর্বোচ্চ রেকর্ড৷ মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১,৭৮৫ জন৷ গতকাল ছিল ১,৭৩১ জন৷

গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ৭৫২ জন৷ গতকাল আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল আক্রান্ত ২ হাজার ৭১৬ জন৷ এই পর্যন্ত রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছে ৮০ হাজার ৯৮৪ জন৷ তবে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ২২ হাজার ছাড়িয়ে গেল৷ মঙ্গলবারের তথ্য অনুযায়ী, এই পর্যন্ত বাংলায় আক্রান্ত ২২ হাজার ৩১৫ জন৷

একদিনে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ৬৬ জন৷ ফলে এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫৬ হাজার ৮৮৪ জন৷ সুস্থ হয়ে উঠার হার বেড়ে হল ৭০.২৪ শতাংশ৷ গতকাল ছিল ৭০.০৭ শতাংশ৷
বাংলায় প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা টেস্টের সংখ্যা৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ২২ হাজার ৩২১ টি৷ এটাই একদিনে বাংলায় সর্বোচ্চ টেস্ট৷ গতকাল সংখ্যাটা ছিল ২২ হাজার ১১২টি৷ এই পর্যন্ত মোট টেস্টের সংখ্যা ৯ লক্ষ ৭৮ হাজার ৯৮০ টি৷ প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ১০,৮৭৮ জনে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।