স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়াঃ তৃণমূল বিধায়ক বাড়িতে দেখা করার সময় দিয়েই তাদের সঙ্গে দেখা না করার অভিযোগ। আর সেই অভিযোগ তুলে তাঁর বাড়ির সামনেই ‘শান্তিপূর্ণ’ অবস্থানে বসলেন কুড়মী সমাজের প্রতিনিধিরা। এমনকি বিধায়কের অনুপস্থিতিতে তাঁর পরিবারের লোকেরা তাদের সঙ্গে ‘দূর্ব্যবহার’ করেছেন বলেও অভিযোগ।

বাঁকুড়ার রাইপুরের ঘটনা। এই ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। কুড়মি সমাজের প্রতিনিধিদের তরফে জানানো হয়েছে, তাদের তপশীল উপজাতি অন্তর্ভূক্ত করার দাবি জানিয়ে আইনসভার আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনের আগে প্রতিটি বিধায়কের বাড়িতে গিয়ে এবিষয়ে ‘স্মারকলিপি’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত তারা নিয়েছেন।

রাইপুরের তৃণমূল বিধায়ক বীরেন্দ্রনাথ টুডু বৃহস্পতিবার সকালে তাদের সঙ্গে দেখা করা ও স্মারকলিপি গ্রহণের সময় দিলেও এদিন তিনি ওই নির্দিষ্ট সময়ে বাড়িতে ছিলেন না। বারবার টেলিফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন ধরেননি বলে কুড়মি সমাজের প্রতিনিধিদের অভিযোগ।

পরে বিষয়টি নিয়ে বিধায়কের পরিবারের লোকেদের সাথে তারা কথা বলতে গেলে তাদের সঙ্গে ‘দৃর্ব্যবহার’ করা হয় বলেও সুস্পষ্ট অভিযোগ কুড়মি সমাজের।

পরে কুড়মি সমাজের প্রতিনিধিরা বিধায়কের রাইপুরের বাগজাতার বাড়ির সামনে ‘শান্তিপূর্ণ অবস্থানে’ বসে পড়েন। শাসক দলের এই বিধায়কের সঙ্গে দেখা না করা পর্যন্ত তারা এখান থেকে উঠবেন না বলেও কুড়মি সমাজের তরফে জানানো হয়েছে।

কুড়মি সমাজের পক্ষ থেকে অমিত মাহাতো বলেন, আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট দাবীতে কুড়মি অধ্যুষিত এলাকার বিধায়কের বাড়িতে গিয়ে স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই মোতাবেক রাইপুরের বিধায়ক বীরেন্দ্রনাথ টুডুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আমাদের সময় দেন।

কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে ওনার বাড়িতে আমরা এসে দেখি উনি দেখি না করেই বাড়ি থেকে চলে গেছেন। আর সেকারণেই তাদের এই অবস্থান আন্দোলন বলে তিনি জানান। এই বিষয়ে বিধায়কের সঙ্গে কথা বলতে সংবাদ মাধ্যমের তরফে যোগাযোগ করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাই তাঁর প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

একই সঙ্গে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিধায়কের বাড়ির সামনে কুড়মি সমাজের অবস্থান চলছে বলে জানা গিয়েছে।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।