প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, দক্ষিণ ২৪ পরগণা: ভোটের দিন সকালেই ভোট দিতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হয়েছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগণার কুলতলি থানার মেরীগঞ্জ ১ গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার স্থানীয় তৃণমূল কর্মী আরিফ আলি গাজী। স্থানীয় এসইউসিআই ও সিপিএম কর্মীদের দিকে খুনের অভিযোগ তোলেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার পর পাঁচ দিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

নির্বাচন ও গণনা প্রক্রিয়া মিটতেই নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নেতারা।শনিবার সকালে দলের রাজ্যসভার সাংসদ তথা তৃণমূল কংগ্রেসের দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার কার্যকারী সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী, জেলার আইএনটিটিইউসির সভাপতি শক্তি মণ্ডল, কুলতলি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি গোপাল মাঝি সহ একাধিক নেতৃবর্গ যান নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে। সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি দলের তরফ থেকে নিহতের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন সকলেই। দলের তরফ থেকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য করে নিহতের পরিবারকে।

ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের তরফ থেকে নির্বাচনের দিন রাজনৈতিক সংঘর্ষে নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করার ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সাহায্য আসার আগেই শনিবার সকালে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয় নিহতের স্ত্রী জারিনা বিবির হাতে। এছাড়াও তৃণমূল দল সবসময় তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

কিন্তু নেতাদের এই কথা বা আশ্বাসে খুশি নন জারিনা বিবি। তিনি বলেন, “আমার জান চলে গেছে, তাকে কি আর পাবো? এই টাকা নিয়ে আমি কি করবো? আমার জানকে যে মেরেছে তাদের শাস্তি চাই৷’’ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত মোট ২৫ জনের নামে কুলতলি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তবে ঘটনার পর পাঁচদিন কেটে গেলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

এ বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী বলেন, “২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেফতার করতে হবে। আমরা পরিবারের পাশে আছি। আমাদের সরকার ও ইতিমধ্যেই এই পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। আমরা দোষীদের শাস্তি চাই৷’’ এদিন কুলতলির চুপরিঝাড়া গ্রামে নিহত আরও এক তৃণমূল কর্মী সুবিদ আলি মোল্লার বাড়িতে গিয়েও পরিবারের সঙ্গে দেখা করে আর্থিক সাহায্য তুলে দেন তৃণমূল নেতারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.