কলকাতা: বেলগাছিয়ার এক তরুণীকে অশ্লীল এসএমএস পাঠানোর অভিযোগ স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। শুধু এসএমএস পাঠানোই নয়, যুবকের প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তরুণীকে তুলে নিয়ে গিয়ে জোর করে বিয়ে করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বেশ কিছুদিন ধরেই বেলগাছিয়ার ওই তরুণীকে উত্তক্ত করার অভিযোগ স্থানীয় তৃণমূল নেতা শাহাদত হোসেনের বিরুদ্ধে। শাহদাতের এই আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানান ওই তরুণী। অভিযোগ, শাহদাতের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় ওই তরুণীকে ক্রমাগত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকী তরুণীর পরিবারের সদস্যদের খুনেরও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তরুণীর মোবাইলে অশ্লীল এসএমএস পাঠানোরও অভিযোগ উঠেছএ স্থানীয় তৃণমূল নেতা শাহাদত হোসেনের বিরুদ্ধে। তরুণীর আরও দাবি, শাহদাত তাঁকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করার হুমকি দিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে এই অবস্থা চললেও এগিয়ে আসেননি স্থানীয় তৃণমূলের অন্য নেতারা। এমনই অভিযোগ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়া ওই তরুণীর। ইতিমধ্যেই স্থানীয় তৃণমূল নেতা শাহাদত হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই তরুণী। তবে এখনও পর্যন্ত সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ যথোপযুক্ত কোনও পদক্ষেপ করেনি বলে দাবি তরুণীর।

তরুণীকে হুমকি দেওয়ায় অভিযুক্ত বেলগাছিয়ার তৃণমূল নেতা শাহাদত হোসেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেনের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি ওই তরুণীর। সাংসদ ঘনিষ্ঠ হওয়াতেই পুলিশ শাহদাতের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযেগা উঠেছে। একইসঙ্গে শাহদতও তাঁর সাংসদ ঘনিষ্ঠতার দাবি করে তরুণীর পরিবারকে ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

দিনের পর দিন এভাবেই আতঙ্কে দিন কাটছে বেলগাছিয়ার ওই তরুণী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের। এমনকী আতঙ্কে ওই তরুণী বাড়ির বাইরে বেরোতেও ভয় পাচ্ছেন। এই ঘটনায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তায় রীতিমতো হতাশায় ভেঙে পড়েছে পরিবারটি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।