জলপাইগুড়িঃ  তৃনমূল নেতা খুনে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর এহেন দাবিকে স্বাগত জানালো বিজেপি। নেত্রীর আজব দাবিকে ঘিরে চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল।

জানা গিয়েছে, সাত দিনও হয়নি খুনের ঘটনা। সবে শুরু হয়েছে পুলিশি তদন্ত। এরই মধ্যে ময়নাগুড়ি তৃণমূল নেতা রঞ্জিত অধিকারী খুনের ঘটনা নিয়ে সিবিআই দাবি করে বসলেন তৃণমূল নেত্রী সুজাতা খাঁ।

এদিন তিনি জলপাইগুড়ির একটি হোটেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে এহেন দাবি করেন সদ্য বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল নেত্রী। বিজেপি নেতৃত্বের কটাক্ষ, উনি ঠিকই বলেছেন। রাজ্য পুলিশের তদন্তে তো ভরসা রাখা যায় না। সেই কারণে সত্যিটা বলে ফেলেছেন।

উল্লেখ্য, গত ১৭ জানুয়ারি রাতে ময়নাগুড়ি সাপ্টিবাড়ি এলাকায় দলীয় কর্মসূচি সেরে বাড়ি ফেরার পথে নৃশংস ভাবে খুন হন তৃনমূল নেতা রঞ্জিত অধিকারী। বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই তাঁকে খুন করেছে বলে দাবি তৃণমূলের। ইতিমধ্যে ঘটনায় চার বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এই ঘটনায় গতকাল বুধবার ময়নাগুড়ি যান তৃনমুল নেত্রী সুজাতা খাঁ। সেখানে গিয়ে রঞ্জিত অধিকারীর পরিবারের সাথে দেখা করে সমবেদনা জানান।

অপরদিকে বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ির একটি হোটেলে সাংবাদিক সম্মেলনে সুজাতা খাঁ দাবীর সাথে বলেন ময়নাগুড়িতে সম্প্রতি রঞ্জিত মন্ডলকে নৃশংস ভাবে খুন করেছে বিজেপি। যিনি একজন রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষ। আমি নিজে একজন দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ। বিজেপি দলিত সম্প্রদায়ের ওপর ক্রমাগত আক্রমণ চালাচ্ছে। কি অপরাধ ছিলো রঞ্জিত বাবুর যে তাকে খুন করলো বিজেপি।

সে দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ বলেই কি? আমার যন্ত্রনার যায়গাটা একবার ভাবুন। আমাদের পুলিশ, সি আই ডি তো রয়েইছে। এই পরিবারের পাশে তৃণমূল দাঁড়িয়েছে। তবুও আমি একথাই বলবো যিনি এই এলাকার সাংসদ একজন রাজবংশী সম্প্রদায়ের। আর যিনি মারা গেছেন তিনিও রাজবংশী সম্প্রদায়ের। তাই আমি এই ঘটনা নিয়ে নিরপেক্ষ সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

সুজাতা খাঁর বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি রাজ্য সহ সভাপতি দীপেন প্রামানিক বলেন, এই ঘটনা নিয়ে যদি সিবিআই তদন্ত হয় তবে আমরা নিশ্চিত এতে তৃনমূলের লোকেরা ধরা পড়বে। এর পাশাপাশি আমরা এটাও দাবি রাখছি যে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকে আজ পর্যন্ত বিজেপির ১৩৫ জন খুন হয়েছে তারমধ্য ১১০ জন এস সি সম্প্রদায়ের।

আমরা এই ঘটনাগুলিরও সিবিআই তদন্ত দাবি রাখছি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ঘটনায় তৃনমূলের জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি কৃষ্ণ কুমার কল্যানীর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তিনি বলেন ব্যাক্তিগত কাজে অসমে রয়েছি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।