কলকাতা: বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের দাবি ওড়ালেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ‘ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারীদের নাম থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা’, বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে এসে এমনই মন্তব্য় করেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

এরই পাশাপাশি এরাজ্যের সীমানায় মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় নিরাপত্তাবাহিনী বিএসএফ-এর বিরুদ্ধে গ্রামবাসীদের ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলেছেন পার্থবাবু।

বাংলায় বিধানসভা ভোটের ঢাকে কাঠি পড়েছে। রাজ্যের নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ছে। এই আবহেই রাজ্যে এসেছেন কেন্দ্রীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল-বেঞ্চ আজ কলকাতায় দফায়-দফায় বৈঠক সারছেন পুলিশ, প্রশাসনিক কর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে।

এদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন তৃণমূলের তরফে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সি, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমরা। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র বিষোদগার করেছেন।

সম্প্রতি বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের অভিযোগ ছিল, ভোটার তালিকায় ঢুকেছে ৪-৫ লক্ষ রোহিঙ্গার নাম। নির্বাচন কমিশনকেও বিষয়টি জানাবেন বলে জানিয়েছিলেন দিলীপবাবু। একইসঙ্গে তিনি বলেছিলন, ‘‘তৃণমূল ছেড়ে সবাই চলে আসছেন। তার কারণ তৃণমূল এখন সমাজবিরোধী, সন্ত্রাসবাদীদের দলে পরিণত হয়েছে। বাংলায় আসল গদ্দার হল তৃণমূল।’’

এদিন দিলীপ ঘোষের সেই অভিযোগ নস্যাৎ করেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারীদের নাম থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা’’। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা বিএসএফ-এর বিরুদ্ধে বিজেপিকে ‘সাহায্য’ করার অভিযোগ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। তিনি এদিন বলেন, ‘‘বিএসএফ গ্রামবাসীদের ভয় দেখাচ্ছে, নির্দিষ্ট একটি দলকে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।