স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: গ্যাংস্টার বিকাশ দুবের এনকাউন্টার ইস্যুতে এবার সুর চড়ালেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অর্জুন সিংয়ের কনভয় থামিয়ে দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করার প্রসঙ্গ তুলে বারাকপুরের সাংসদ-সহ রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বকে খোঁচা দিলেন তিনি।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, “দিলীপ ঘোষ নিজেই একটা ল’ব্রেকার। ওদের এমপি গুলো সব আইন ভঙ্গকারী। বারাকপুরের সাংসদ যেটা করছে এখানে এনকাউন্টার করে দিলে কি ভালো হবে? সবচেয়ে বেশি গুন্ডা যদি থাকে সে তো বিজেপির মধ্যেই রয়েছে।”

দিলীপ ঘোষকে একহাত নিয়ে কল্যাণ বলেন, “দিলীপ ঘোষরা তো এনকাউন্টারে বিশ্বাসী। ওরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। ওদের বিশ্বাস ধর্মের ভিত্তিতে দেশকে ভাগ করো আর ক্ষমতায় এলে এনকাউন্টার করে মানুষ মারো। আর বিরোধী দলের নেতা নেত্রীদের জেলে ঢোকাও।”

প্রসঙ্গত, শুক্রবার বিকেলে বারাকপুরে চিড়িয়ামোড়ে অর্জুন সিংয়ের গাড়ি আটকায় পুলিশ। ঘটনাস্থলে তখন উপস্থিত বারাকপুর কমিশনারেটের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার অজয় ঠাকুর। তাঁর নির্দেশেই সাংসদের গাড়ি দাঁড় করিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এরই মাঝে সাংসদের গাড়ি খুলে বিট্টু জয়সোয়াল নামে এক বিজেপি কর্মীকে টেনে হিঁচড়ে বের করে কর্তব্যরত পুলিশ।

হাত ছাড়িয়ে পালানোর চেষ্টা করেন ওই বিজেপি কর্মী। কিন্তু পুলিশ তাঁকে পাঁজাকোলা করে গাড়িতে তোলে। এরপর মেমো ছাড়া সাংসদের গাড়ি আটকানোর অভিযোগ ও দলীয় কর্মীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে চিড়িয়ামোড়ে ধরনায় বসেন অর্জুন সিং। পরে বিট্টু জয়সোয়ালের গ্রেফতারের নথি দেখে ধরনা তোলেন সাংসদ।

এরপরই রাজ্য প্রশাসনকে একহাত নিয়ে বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ বলেন, “অর্জুন সিং নির্বাচিত প্রতিনিধি। তাঁর একটাই দোষ, তিনি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এসেছেন। সেই কারণেই তাঁকে হেনস্তা করা হল। গাড়ি আটকে তল্লাশি চালানো হল। তাঁর সঙ্গে এক প্রকার অপরাধীর মতো আচরণ করা হল। মানুষ সব দেখছে।” সব কিছুর ‘হিসেব নেব’ বলেও এদিন হুঁশিয়ারি দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এদিন তারই পাল্টা দিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।