স্টাফ রিপোর্টার, মেদিনীপুর: পঞ্চায়েত ভোটে ছাপ্পা দিচ্ছে দলেরই নেতাকর্মীরা। যার প্রতিবাদ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা বিদায়ী পঞ্চায়েত সদস্যা কবিতা দাস। সেই অপরাধের জেরে তাকে চরম শাস্তি দেয় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

আরও পড়ুন- ‘আমরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত’, ভারতকে হুমকি পাকিস্তানের

গলায় জুতোর মালা ঝুলিয়ে, কান ধরে ওঠবোস করানো হয় কবিতা দাসকে৷ সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে সেই ছবি ছড়িয়ে পরে। এবং খুব সহজেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার তৃণমূল কংগ্রেসকে।

আরও পড়ুন- বিজেপি বাঁচাতে রাজপথে নেমেছে সঙ্ঘ: পার্থ

সেই কবিতা দাস শনিবার হাতে তুলে নিয়েছেন পদ্মের পতাকা। একই সঙ্গে কবিতাদেবীর স্বামী গোপাল দাসও যোগ দিয়েছেন বিজেপি শিবিরে। এই দম্পতি ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জিতে পঞ্চায়েত সদস্য হয়েছিলেন।

আরও পড়ুন- ইসলামপুরের ঘটনায় লুকিয়ে ভাষা আন্দোলনের কালো মেঘ!

২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট না পাওয়ায় শুরু হয় বিবাদ। কবিতা দাস সরাসরি ছাপ্পা দেওয়া রুখতে গেলে ধুন্ধুমার বেধে যায়৷ তারপরেই শুরু হয় কবিতাকে ঘিরে লাঞ্ছনা৷ দল বিরোধী কাজের জন্য তার বিচারে জুতোর মালা পরিয়ে গ্রাম ঘোরানো হয়৷ শেষে পার্টি অফিসের সামনে কান ঘরে ওঠবোস করানো হয় তাঁকে। ওই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা সঞ্জিত কুইল্যাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও পরে জামিনে ছাড়া পেয়ে যায় অভিযুক্ত ব্যক্তি।

আরও পড়ুন- সোদপুর উড়ালপুল পরিদর্শনে পূর্ত দফতরের প্রতিনিধিদল

পদ্মের পতাকা হাতে নিয়ে কবিতা এবং গোপাল দাস জানিয়েছেন যে তাঁরা উন্নয়নের স্বার্থেই বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন। এই দম্পতির সঙ্গে মেদিনীপুরের প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলর সুনীতা বেরা। স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব অবশ্য এই দলবদলকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে না।