মেদিনীপুর: আবগারি দফতরের একটি বড়সড় অভিযানে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ গাঁজা গাছ৷ এলাকাবাসীর অভিযোগ সেই গাঁজা খেত এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতার৷ ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং থানার ১৩নং বিষ্ণুপুর অঞ্চলের কালিদহচড়া গ্রামে।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই গ্রামের তৃণমূল নেতা গণেশ প্রামাণিকের বাড়িতে অভিযান চালায় আবগারি দফতরের আধিকারিকেরা। সেই অভিযানেই প্রকাশ্যে আসে তাঁর বাড়ির সামনের দেড় কাঠা জমিতে রীতিমত চাষ করা হয়েছে গাঁজা গাছ। আবগারি দফতরের আধিকারিকেরা এই জমি থেকে প্রায় ৫২টি গাঁজা গাছ উপড়ে ফেলেছেন। পরে সেই গাঁজা গাছগুলি এক জায়গায় জড়ো করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এরপর তৃণমূল নেতার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে আরও পাঁচ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন : সিবিআই সৎ হলে অমিত শাহের ছেলেকে গ্রেফতার করে দেখাক সিবিআই?

তবে আবগারি দফতরের অভিযান চলাকালীন অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতা এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ যদিও ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় জমান গ্রামবাসীরা। তবে দোর্দণ্ডপ্রতাপ ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে কেউই মুখ খুলতে চাননি। আবগারি দফতরের আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, গণেশ প্রামাণিক নামের ওই ব্যক্তি নিজের বাড়ির পাশেই জমিতে রীতিমতো গাঁজার বাগান বানিয়ে ফেলেছিলেন। তাঁকে ক্রিমিনাল হিসেবেই দেখা হচ্ছে এবং অভিযুক্তকে পাকড়াও করার জন্য অভিযান চলছে বলেও জানান তাঁরা৷

এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি নিজের প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই এই কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর বাড়িতে অনেকদিন ধরেই গাঁজা গাছ চাষ হচ্ছে। তবে ভয়ে কেউই এতদিন ধরে এই নিয়ে প্রশাসনের কাছে মুখ খোলেননি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।