স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: দল থেকে বহিষ্কার করা হল বাগনানের শ্লীলতাহানি কাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কুশ বেরাকে। একইসঙ্গে নির্যাতিতার পরিবারকে আইনি সহায়তা দেবে তৃণমূল।

শুক্রবার দলের তরফে বিবৃতি দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের হাওড়া গ্রামীণ জেলা সভাপতি পুলক রায় জানিয়েছেন, মৃতার পারলৌকিক ক্রিয়া সম্পন্ন হলেই দলের পক্ষ থেকে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।

মেয়ের শ্লীলতাহানি রুখতে গিয়ে বুধবার মৃত্যু হয়েছে এক কলেজ ছাত্রীর মায়ের। ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূলের এক স্থানীয় নেতা। এই অভিযোগকে ঘিরেই জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন ক্ষুব্ধ জনতা। গ্রেফতারের দাবিতে সেখানে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির দুই সংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় ও সৌমিত্র খাঁ। পরে অভিযুক্ত কুশ বেরাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ধৃতদের উলুবেড়িয়া মহকুমা আদালাতে তোলা হলে বিচারক মূল অভিযুক্ত কুশ বেরা ও সঙ্গী শোভন মণ্ডলকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন বিধায়ক অরুণাভ সেন বলেন, “দলের পক্ষ থেকে আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল যে এই ঘটনার সঙ্গে যে-ই জড়িত থাকুক, কাউকে ক্ষমা করা হবে না। ঘটনার পরই পুলিস ২ জনকে গ্রেফতার করেছে।

বৃহস্পতিবার বিক্ষোভের সময় অভিযুক্ত কুশ বেরার বাড়ি থেকে ধারালো অস্ত্র ছোঁড়ায় ফের একজন গুরুতর ভাবে আহত হন। সেই ঘটনাতেও অভিযুক্তকেও ক্ষমা করা হবে না।”

বৃহস্পতিবার বাগনানে গিয়েছিলেন বিজেপি মহিলা মোর্চার নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। সেখানে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে তোপ দাগেন অগ্নিমিত্রা। তিনি বলেন, “মহিলারা নিজেদের আত্মরক্ষার্থে এবার থেকে হাতে বটি, কাটারি এবং অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে থাকুন। দুষ্কৃতীরা যদি আপনাদের উপর আক্রমণ চালায়, আপনারাও পাল্টা আক্রমণ চালান।”

বাগনান থানায় গিয়ে অগ্নিমিত্রা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আর কী বলার আছে! ২০২১-এ সরকারে আসছি। হাতে আর মাত্র ৯ মাস। তারপর আপনাদেরও উচিত শিক্ষা দেব আমরা। তখন কে বাঁচায় দেখব! তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী যদি গর্তের ভিতর ঢুকে থাকে, তাদেরকে বের করে এনে উচিত শিক্ষা দেব‌।”

বিজেপিকে কটাক্ষ করে শুক্রবার তৃণমূল বিধায়ক বলেন, “এর আগেও বাগনানে এক কিশোরীর খুনের ঘটনায় এক বছরের মধ্যে দোষীরা শাস্তি পেয়েছে।” তাই যাঁরা এইসব ঘটনা নিয়ে এলাকায় অশান্তি পাকাতে চাইছেন, তাঁরা দিবাস্বপ্ন দেখছেন।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I