স্টাফ রিপোর্টার, ঝাড়গ্রাম: রোগী নয়, রোগের সঙ্গে লড়াইয়ের কথা বারবার বলা হলেও কোথায় কী? জ্বর-সর্দি হয়েছে শুনলেই প্রতিবেশী এমনকী পরিজনরাও মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ঝাড়গ্রামের এক তৃণমূল নেতা। পিপিই পড়ে নিজেই করোনার উপসর্গযুক্ত এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে পৌঁছলেন যুব তৃণমূল সভাপতি সত্যকাম পট্টনায়েক।

জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই জ্বরে ভুগছিলেন ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরের সিজুয়া গ্রামে বাসিন্দা এক ব্যক্তি। কিন্তু আতঙ্কের কারণে কেউই পাশে দাঁড়াননি তাঁর। এই খবর শোনা মাত্রই পদক্ষেপ নেন গোপীবল্লভপুরের ১ ব্লকের যুব তৃণমূল সভাপতি সত্যকাম পট্টনায়েক। কারও অপেক্ষা না করে নিজেই পিপিই পড়ে বাইক চালিয়ে চলে যান ওই ব্যক্তির বাড়িতে। তিনিই অসুস্থ ব্যক্তিকে নিয়ে যান গোপীবল্লভপুর সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। বর্তমানে সেখানেই ভরতি রয়েছেন জ্বরের ওই রোগী।

এবিষয়ে সত্যকাম পট্টনায়েক বলেন, “ এই গ্রামের বহু মানুষই পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। এই ব্যক্তির জ্বর হয়েছে শুনেই আমি পিপিই জোগাড় করে তাঁর কাছে যাই। হাসপাতালে ভরতি করি। এটা আমার দায়িত্ব।” পাশাপাশি, স্থানীয়দেরও ভয় কাটিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি। সত্যকামের প্রশংসায় পঞ্চমুখ গ্রামবাসীরাও।

প্রসঙ্গত, দিনকয়েক আগে একই ধরনের কাজ করেছিলেন পানিহাটির সিপিএমের বিদায়ী কাউন্সিলর সুদীপ রায়। করোনা আক্রান্ত এক মহিলাকে নিজের বাইকে চাপিয়ে হাসপাতালে পৌঁছে দিয়েছিলেন সুদীপ বাবু।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও