সৌরভ দেব, জলপাইগুড়ি: বানারহাটে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে আহত হলেন সদ্য ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া বিধান সরকার। বুধবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে বানারহাটের এল আর পি এলাকায়। ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বানারহাট এলাকায়। এদিন তার উপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ বিধান সরকার নিজেই করেন তৃণমূলের ব্লক প্রেসিডেন্ট রাজু গুরুংয়ের বিরুদ্ধে। তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে ধূপগুড়ি ব্লক হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে আঘাত গুরুতর থাকায় তাকে জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার ঘাড়ে এবং পিঠে ধারলো অস্ত্রের আঘাত লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে তাদের দলের কেউ বিধানের ওপর আক্রমন করেনি। দুষ্কৃতিদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন বিধান সরকার।

জানা গিয়েছে নির্বাচনে তৃণমুল ক্ষমতায় আসার পরেই তৃণমুলে যোগ দেন বিধান সরকার।কয়েকদিন আগেই বানারহাটের পলাশবাড়ি এলাকায় নিজের পুরানো দল জেএমএম থেকে তৃণমুলে যোগদান করেন বিধানবাবু। যদিও সেদিনের অনুষ্ঠানে তৃণমুল নেতা রাজু গুরুংকে আমন্ত্রন জানানো হয়নি বা রাজু গুরুং নিজেই যাননি বলে অভিযোগ। তাই বিধান সরকারের উপর সশস্ত্র হামলার ঘটনার পেছনে দলীয় কোন্দলকে উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিধান সরকারের অনুগামীরা। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কিন্তু রাজু গুরুংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওঠা সম্ভবপর হয়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।