স্টাফ রিপোর্টার, বারুইপুর: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ফের উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং। ক্যানিং থানার করাকাটি গ্রামের ঘটনাটি ঘটেছে। এবারও সেই মূল তৃণমূল ও যুব তৃণমূলের মধ্যে গোলমালের অভিযোগ উঠেছে৷
মূল তৃণমূল কর্মীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে যুব তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে।

উভয় পক্ষের সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয় তিনজন। আহতদেরকে উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে ক্যানিং থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আরও পড়ুন: বিমা কর্মী খুনে ধৃত চার

মূল তৃনমূল কর্মীদের দাবি, ক্যানিংয়ের দিঘিরপাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের এই করাকাটি গ্রামে যুব তৃণমূল কর্মীরা দখল নেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছে। গত রাতেও মূল তৃণমূল কর্মী অসীম হালদার-সহ আরও অনেকেই এলাকার একটি জায়গাতে বসে ছিল। সেখানে যুব তৃণমূল কর্মীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ।

অসীম হালদারের দাবি,বাঁশ, রড দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি তার গায়ের বিভিন্ন জায়গায় কামড়ে ও নেই। অসীম হালদারকে মারছে দেখে বাকি তৃণমূল কর্মীরা পালিয়ে যান৷ পরে তাঁরা যখন আরও তৃণমূল কর্মী নিয়ে আসেন, তখন পালিয়ে যান যুব তৃণমূলের কর্মীরা।

আরও পড়ুন: কালীপুজোর আগে শহরের প্রাণকেন্দ্রের বাজি বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা

উল্টো দিকে যুব তৃণমূল কর্মীরা অভিযোগ করছে যে এলাকা দখলের জন্য মূল তৃণমূল কর্মীরা তাদের উপর হামলা চালায়। এই ঘটনায় তাঁদের দু’জন যুব তৃণমূল কর্মী পঙ্কজ নস্কর ও অসীম নস্কর আহত হয়েছেন।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় ক্যানিং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে৷ পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে।

যদিও তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্বের ক্যানিংয়ের করাকাটি গ্রামের ঘটনার সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই৷ পুরোটাই হয়েছে গ্রাম্যবিবাদের জেরে৷

আরও পড়ুন: ধোনি না প্রসাদ! ফাটকায় সেরা কোন ‘এমএস’?

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.