শিবপ্রিয় দাশগুপ্ত : রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলে (TMC) সবচেয়ে বেশ সংখ্যার বিধায়ক ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত। আবার সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় বিধায়ক (MLA) ধনবান। ওয়েস্টবেঙ্গল ইলেকশন ওয়াচ Westbengal Election Watch) ও অ্যাসোসিয়েশান ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস এই তথ্য প্রকাশ করেছে। ওয়েস্টবেঙ্গল ইলেকশন ওয়াচ-এর রাজ্য সংযোজক উজ্জ্বয়িনী হালিম এই তথ্য জানিয়েছেন, বিধানসভা (Assembly) ধরে তাদের সংস্থার তরফে বিধায়কদের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তাতে এই তথ্য সামনে এসেছে। জানা যাচ্ছে বর্তমান বিধায়কদের মধ্যে ৩৭% অর্থাৎ ১০৪ জন বিধায়ক নানান মামলায় অভিযুক্ত। এর মধ্যে ৩২% অর্থাৎ ৯০ জনের বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ (Criminal Case) মামলা আছে। এর মধ্যে খুন, ধর্ষণ, খুনের চেষ্টা, অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে।

এই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে রাজ্যের শাসক ও বিরোধী দলের নিরিখে বিধায়কদের ৩৪% হলেন কোটিপতি। অর্থাৎ তাঁদের আর্থিক সম্পত্তির পরিমাণ কোটি টাকার বেশি। রাজ্যের ২৮২জন বিধায়কের মধ্যে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে ৯০ জনের নামে । অপরাধমূলক অভিযোগ রয়েছে ৩২% বিধায়কের নামে।

মূলত ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং তার পরবর্তী উপনির্বাচনের জন্য ২৮২জন বিধায়কের নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তথ্য যাচাই করে এই পরিসংখ্যান পাওয়া গিয়েছে। নির্বাচনে দাঁড়াতে হলে প্রার্থীদের নিজস্ব যাবতীয় তথ্য হলফনামার আকারে দাখিল করতে হয়। এর থেকে যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তাতে দেখা যাচ্ছে বিজেপি-র ৫০% বিধায়কের নামে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। রাজ্যে এখন বিজেপির ৬জন বিধায়ক আছেন। তাদের ৩ জনই গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত। কংগ্রেসের (Congress) ৩৯% এবং সিপিএমের (CPM)৪২% বিধায়কের বিরুদ্দে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। সার্বিকভাবে কংগ্রেসের ৫১% , তৃণমূলের ৩৩%, সিপিএম-এর ৪৬%, বিজেপি-র (BJP) ৪৬%, বিজেপি-র ৫০% বিধায়কের নাম ফৌজদারি মামলা রয়েছে।

মোট ২০৫ জন বিধায়কের মধ্যে তৃণমূলের ৭৮জন বিধায়ক কোটিপতি। কংগ্রেসের ৩৯জন বিধায়কের মধ্যে ১০জন কোটিপতি। বিজেপি-র ৬জন বিধায়কের মধ্যে ২জন কোটিপতি। নির্দলের ১ জন বিধায়কের মধ্যে ১ জন কোটিপতি। আরএসপি-র ৩জন বিধায়কের মধ্যে ১ জন কোটিপতি।

কম সম্পত্তির অধিকারী বিধায়কদের মধ্যে রয়েছেন পাঁশকুড়া বিধানসভার সিপিএম বিধায়ক শেখ ইব্রাহিম আলী, নবদ্বীপের তৃণমূল বিধায়ক পুণ্ডরীকাক্ষ সাহা, বাঁকুড়ার সোনামুখীর সিপিএম বিধায়ক অজিত রায়।

২৮২ জন বিধায়কের মধ্যে স্বাক্ষর ১ জন, অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পাশ করেছেন ৯২জন, স্নাতক ও স্নাকোত্তর উর্ত্তীর্ণ ১৮৭জন, ডিপ্লোমা প্রাপ্ত ২ জন বিধায়ক। মোট ২৮২ জন বিধায়কের মধ্যে ৪১ জন অর্থাৎ ১৫% মহিলা বিধায়ক রয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।