স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ইস্তাহার তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সূত্রে খবর, দলের নীচুতলার কর্মী থেকে সাংসদ, বিধায়ক-সবার মত নিচ্ছেন তিনি। জানা গিয়েছে, সবার মতামতের ভিত্তিতে একটি কমিটি গঠন করবেন তিনি। সেই কমিটি ইস্তাহার তৈরি করবে। এই কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন দলনেত্রী স্বয়ং। থাকবেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সির মতো শীর্ষ নেতারাও৷ এছাড়াও রাখা হবে একাধিক মন্ত্রী, সাংসদ ও বিধায়ককে।

জানা গিয়েছে, মূলত গত পাঁচ বছরে তৃণমূল সরকার কী কী উন্নয়ন করেছে, তার খতিয়ান থাকবে ইস্তাহারে। জানা গিয়েছে, বিনামূল্যে রেশন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা পরিষেবা, শিল্প ও কর্মসংস্থানের মতো বিষয়গুলি ইস্তেহারে থাকবে। সেইসঙ্গে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মনিরপেক্ষতাও তুলে ধরা হবে। সূত্রের খবর, ইস্তাহার তৈরির জন্য নেত্রী দলের নেতা, কর্মী, বিধায়ক এবং সাংসদদের কাছে লিখিত আকারে মতামত এবং প্রস্তাব চেয়েছেন। সেই প্রস্তাবগুলি জমা পড়ার পর তৃণমূল নেত্রী নিজে তা খতিয়ে দেখবেন এবং বিবেচনা করবেন। তারপর মনোনীত প্রস্তাবগুলিকে সামনে রেখে একটি খসড়া ইস্তাহার তৈরি করা হবে। সেই খসড়া ইস্তাহারের ভিত্তিতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি তৈরি করবেন নেত্রী।

তৃণমূলের একাংশের বক্তব্য, ইস্তাহার তৈরির কমিটির মতামতাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে ঠিকই। কিন্তু সেইসঙ্গে ইস্তাহারে স্থান পাবে তৃণমূলের ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের সমীক্ষাও। দু’মাসের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশিত হয়ে যাবে বলে মনে করছে শাসক শিবির। ফলে তারা দ্রুত ইস্তাহার তৈরির বিষয়টি চূড়ান্ত করে ফেলতে চাইছে। গত বিধানসভা ভোটে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলির মধ্যে কোন কোনগুলি পুরোপুরি পূরণ করা হয়েছে, কোনগুলি পূরণ করা এখনও খানিকটা বাকি আছে এবং সেগুলি কতদিনের মধ্যে পূরণ করা যাবে, তা-ও ইস্তাহারে বলা থাকবে বলেই তৃণমূল সূত্রের খবর।

উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের ইস্তেহারে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতির দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারমধ্যে কর্মসংস্থান ও ১০০ দিনের কাজের মজুরি দ্বিগুণ করা, জিএসটি পুনর্বিবেচনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।