ছবির সত্যতা যাচাই করেনি kolkata24x7.com

নয়াদিল্লি: বেলা গড়ানোর আগে শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে মামলা দাখিল করল তৃণমূল কংগ্রেস৷নারদ মামলায় গত শুক্রবার রাজ্যের সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট৷ এদিন সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেস৷দাখিল হয় পৃথক দুটি মামলা৷

একটি মামলা করেন রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি৷ অন্য মামলাটি করেন দলের চার সাংসদ৷ এদের মধ্যে রয়েছেন, সুলতান আহমেদ, সৌগত রায়, প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দোস্তিদার৷ মামলা দুটি পৃথক হলেও দুই মামলার মূল বক্তব্যই এক৷ কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দিক সুপ্রিম কোর্ট৷তবে এদিন দুটি মামলার কোনোটির জন্যই দ্রুত শুনানির আবেদন করেনি রাজ্যের শাসকদল৷সূত্রের খবর বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারী যে মামলাটি এদিন আদালতে দায়ের করেছেন তাতে অসংখ্য ত্রুটি রয়েছে৷ সেকারণেই আগামিকাল মামলার শুনানির তারিখ চাওয়া হয়েছে৷

এদিকে রাজ্যসরকার ও তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করার আগেই ক্যাভিয়েট দাখিল করেছেন আইনজীবী অমিতাভ চক্রবর্তী৷ এর অর্থ যেহেতু কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলাটি দাখিল করেছিলেন অমিতাভ চক্রবর্তী, এবং তাঁর কথার পরিপ্রেক্ষিতেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত, তাই তাঁর বক্তব্য না শুনে এই বিষয়ে কোনও নির্দেশ জারি করতে পারবে না শীর্ষ আদালত৷

এদিকে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দাখিল করা নিয়ে তৃণমূলি আইনজীবীদের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে৷ বিশেষ করে নারদ মামলার মতো এত গুরুত্বপূর্ণ একটা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন ফাইল করতে কেন এত সময় নেওয়া হল? বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারী হয়ে যে পিটিশন ফাইল করা হয়েছে তাতেই বা কেন এত ভুল ত্রুটি থাকবে? বিশেষ করে পিটিশনে যে এফআইআর নম্বর উল্লেখ করতে হয় তা কী জানা ছিল না আইনজীবীদের? এছাড়াও যে সকল সার্টিফিকেট আদালতের কাছে পেশ করা হয়েছে তাতে প্রথমে স্বাক্ষর করেননি শুভেন্দুর আইনজীবী৷ এই নিয়েও উঠছে প্রশ্ন৷ আবার অনেকের মতে বিষয়টি শাসকদলের রণকৌশলও হতে পারে৷ আগামী মঙ্গলবার নারদ মামলায় হাইকোর্টে রিপোর্টে পেশ করবে সিবিআই৷ এখন তার আগে যদি শীর্ষ আদালতের রায় শাসকদলের বিরুদ্ধে যায়, তাহলে বিপদ আরও বাড়তে পারে! সেই কারণেই ইচ্ছাকরে পিটিশন পিছিয়ে দেওয়ার কৌশল নিয়ে থাকতে পারেন তৃণমূলি আইনজীবীরা৷

দলীয় সাংসদের টাকাতেই তৃণমূলকে ফাঁদে ফেলেছেন ম্যাথু