নন্দীগ্রাম: আমপানে কোনও ক্ষতি হয়নি, তাও নিয়েছে ক্ষতিপূরণের টাকা। আর এই দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে নন্দীগ্রাম।

কোথাও স্বজনপোষণ আবার কোথাও ক্ষতিগ্রস্তের তালিকা দুর্নীতি নিয়ে ক্ষোভ- বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে নন্দীগ্রাম। তবে এতদিন প্রতিবাদের মুখ হিসেবে ছিল গ্রামবাসীরা কিংবা বিরোধীদল বিজেপি। কিন্তু এবার খোদ তৃণমূলের পতাকা নিয়েই দলের নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হলেন তৃণমূলের কর্মী- সমর্থকরা।

বুধবার দুপুরে নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের মহম্মদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে তৃণমূলের পতাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তৃনমূলের কর্মী-সমর্থকরা। যাকে কেন্দ্র করে একেবারে প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল বলা চলে খোদ নন্দীগ্রামে।

এদিন প্রায় কয়েক ঘণ্টা ধরে তৃণমূলের পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখানোর পর অবশেষে স্থানীয় নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের সমস্যা সুরাহার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ উঠে যায়।

নন্দীগ্রামে ইতিমধ্যে ঘূর্ণিঝড় আমপানের ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব ২০০জন তৃণমূল নেতাকে শোকজ করেছে। এরপরও ক্ষোভ-বিক্ষোভে বারবার উত্তপ্ত হয়ে উঠছে খোদ রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গড় নন্দীগ্রাম।

বুধবার দিনভর আমপান দুর্নীতির অভিযোগ তুলে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নন্দীগ্রাম- ১ ব্লকের মহম্মদপুর এলাকা। তবে এবারে প্রতিবাদের মুখে হিসেবে বিজেপি নয়। এবার খোদ তৃণমূলের দলের কর্মীরাই বিক্ষোভ দেখালেন গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনে। এদিন প্রায় কয়েকশো তৃণমূল কর্মী- সমর্থক তৃণমূলের পতাকা ও কালো পতাকা হাতে নিয়ে মহম্মদপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।

তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূলের নির্বাচিত প্রধান ও পঞ্চায়েত সদস্যরা আমপানের ক্ষতিগ্রস্তের তালিকা নিয়ে দুর্নীতি করছেন। রাজ‍্য থেকে সাধারণ মানুষের জন্য সমস্ত সুযোগ- সুবিধা দিচ্ছে। কিন্তু স্থানীয় নেতৃত্বরা তা বন্টনে দুর্নীতি করছে। বুধবার এইসমস্ত বিভিন্ন অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নন্দীগ্রামের মহম্মদপুর এলাকা। কয়েকঘন্টা বিক্ষোভ চলার পর স্থানীয় নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সমস‍্যা সুরাহার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ উঠে যায়।

এক বিক্ষোভকারী বলেন, “স্থানীয় নেতৃত্বরা ক্ষতিগ্রস্তের তালিকা নিয়ে দুর্নীতি করছে। যাদের ক্ষতি হয়নি তাদের তালিকার অন্তর্ভুক্ত করেছে। কিন্তু প্রকৃত যাদের ক্ষতি হয়েছে তাদের নাম নেই ওই তালিকায়।”

যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে মহম্মদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সেখ হাবিবুল বলেন, “আমরা ৩৪০০জন ক্ষতিগ্রস্তের নাম পাঠিয়েছি। যাদের কোনও ক্ষতি হয়নি এমন কেউ এই তালিকায় নেই। এদিন আমাদের দলেরই কর্মীরা বিক্ষোভ দেখিয়েছে তা ঠিক”।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ