মালদহ : রথ এক ইঞ্চিও মালদহে চলবে না। রথ যাতে না চলে সেই ব্যবস্থায় আমরা নেব। খেলা শুরু খেলার মাধ্যমে এই ভন্ডামির রথযাত্রাকে আমরা আটকাবো। বিজেপির রথযাত্রা নিয়ে হুংকার জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর দুলাল সরকারের।

মালদহে রথ সচল থাকবে। রথ স্তব্ধ করতে আসলে, এর আগে যেভাবে সবাইকে পিষে মেরেছে সেই ভাবেই মারবে পাল্টা শাসক দলকে আক্রমণে বিজেপির।

আগামী ২৭ফেব্রুয়ারি মালদহে পৌঁছবে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার রথ। হবিবপুর বিধানসভা দিয়ে শুরু হবে এই রথযাত্রা। ওই দিন দুপুরে ইংরেজবাজার পল্লীশ্রী মাঠে রথ পৌঁছাবে। সেখানে সভা করবেন বিজেপি নেতৃত্বরা। উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের।

আগামী ২ মার্চ গাজোলে সমাপ্তি হবে বিজেপির রথ যাত্রার। সমাপ্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের। রথযাত্রা নিয়ে পুরোদমে প্রচার চালাতে আসরে নেমে পড়েছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। চলছে মিটিং-মিছিল। কর্মীদের দেওয়া হচ্ছে টুপি টি-শার্ট। কিন্তু মালদহে রথ পৌঁছানোর আগেই রথের চাকা রুখে দেওয়ার হুমকি তৃণমূলের।

এই বিষয়ে জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর দুলাল সরকার বলেন, ” রথ চলবে না। এক ইঞ্চিও রথ চলবে না সেই ব্যবস্থা আমরা নেব। খেলা শুরু খেলার মাধ্যমে এই ভন্ডামি রথযাত্রাকে আমরা আটকাবো। জগন্নাথ দেব সুভদ্রা তাঁরাই রথযাত্রা করেছিলেন। কিন্তু বিজেপি ভন্ডামি করে রথযাত্রা করছে। বিভিন্ন জেলাতে মানুষ হচ্ছে না আমরা দেখেছি। কিছু মানুষকে ভুল বুঝিয়ে পয়সা দিয়ে রথ যাত্রায় শামিল করছে। মালদহতে রথযাত্রা হবে না। কারণ খেলা শুরু মাঠে খেলো।”

যদিও শাসক দলকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি । মালদহ জেলা বিজেপির সহ সভাপতি অজয় গাঙ্গুলী বলেন, “মহাভারতের যুগ থেকে রথ চলে আসছে। যারাই রথের চাকা স্তব্ধ করার চেষ্টা করেছে তাঁরা হাতেনাতে ফল পেয়েছে। সেই জন্য গোটা পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সচল আছে। মালদহ জেলাতে ২৭ তারিখ থেকে রথ সচল থাকবে। কেউ যদি রথের চাকা স্তব্ধ করতে আসে তাহলে রথ যেভাবে এর আগে সবাইকে পিষে মেরেছে সেই ভাবেই মারবে। যারা রথের চাকা স্তব্ধ করার চেষ্টা করেছে তারা হাতেনাতে ফল পাবে। রথ রথ এর মতো এগিয়ে চলবে আর মালদহ জেলার মানুষ আশীর্বাদ দেবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।