মালদহ: ভরা আমের মরসুম এসে গেল। কয়েকদিন পরেই রসালো আমে ছেয়ে যাবে বাজার।

লাভদায়ক আম ব্যবসার বাগান নিয়ে এবার তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীসংঘর্ষে জখম কয়েকজন। দুপক্ষের দাবি আম বাগানের দখল ছাড়া যাবে না।

সংঘর্ষে উত্তাল মানিকচকের চৌকি মিরজাদপুর অঞ্চলের ধরমপুর। দু’পক্ষের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।

অভিযোগ, এলাকার দুই টিএমসি গোষ্ঠী এতে জড়িত। একপক্ষ স্থানীয় তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য শেখ মহাতাবের অনুগামী। অপর গোষ্ঠী মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সদস্য শেখ সাইফুদ্দিনের।

চৌকি মিরজাদপুর অঞ্চলে আছে জমিদার ঝা পরিবারের প্রায় কুড়ি বিঘা আম বাগান। এই আমবাগানকে কেন্দ্র করে ঝামেলার সুত্রপাত।

বাগানটি দেবোত্তর সম্পত্তি বল আইনি লড়াই চলছে। অভিযোগ আম বাগান দখল করতে মরিয়া তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী।

অভিযোগ বাগান দখলে তৃণমূল নেতা শেখ সাইফুদ্দিন ও নেপাল চৌধুরীর লোকজন চড়াও হয় শেখ মাহাতাবের বাড়ি। ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। মারধর করা হয় মাহাতাবকে।

বাড়ি থেকে মাহাতাবকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে মানিকচক থানার পুলিশ মাহাতাবকে বালুটোলা এলাকা থেকে উদ্ধার করে।

গুরুতর আহত মাহাতাব মালদহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এর পরেই মাহাতাব গোষ্ঠী নেমে পড়ে বদলা নিতে।

সাইফুদ্দিন ও নেপাল চৌধুরীর খোঁজে এলাকায় নেমে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। মানিকচক থানার বিশাল পুলিশবাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেয়।

এলাকা এখনো থমথমে। চলছে পুলিশের টহল।

জেলা তূণমূলে কো-অর্ডিনেটর দুলাল সরকার বলেন, ‘এটা গ্রাম্য বিবাদ। এখন রাজনৈতিক রঙ চাপিয়ে অন্যমাত্রা দেওয়ার চেষ্টা করছে বিরোধীরা।

আমাদের মধ্যে কোন গোষ্ঠীকোন্দল নেই। পুলিশ আইন অনুযায়ী তদন্ত করবে। দোষ প্রমানিত হলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে’।

জেলা বিজেপি সভাপতি গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল বলেন, ‘জমি দখল,জুন্ডা মস্তান গোষ্ঠী কোন্দল তৃণমুল কংগ্রেসের সংস্কৃতি। এটা নতুন কিছু নয়। পুলিশ যদি সঠিক তদন্ত করে সব পরিস্কার হয়ে যাবে’।

এদিকে নির্বাচন ও ফল গণনার পরে জেলা জুড়ে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ হচ্ছে। তৃণমূল ও বিজেপি পরস্পরকে অভিযুক্ত করছে।

রাজ্যে টানা তৃতীয়বার সরকার গড়া ও মালদহে বড়সড় সাফল্যে করোনা দূরত্ব বিধি শিকেয় তুলে বড় বড় বিজয় মিছিল করেছে তৃণমূল। এতে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা আরও তীব্র।

অন্যতম করোনা সংক্রমিত জেলা হলো মালদহ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.