কলকাতা: দেওয়াল লিখনও শুরু হয়ে গিয়েছিল তাঁর নামে। এরই মধ্যে রাতারাতি প্রার্থীপদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল সরলা মুর্মুকে। তাঁর বদলে মালদহের হবিবপুরে তৃণমূল প্রার্থী হচ্ছেন প্রদীপ বাস্কে। সরলা মুর্মু বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে দিন কয়েক ধরেই জল্পনা বাড়ছিল। এই খবর পৌঁছে যায় দলের শীর্ষ নেতাদের কাছে। শেষমেশ বিতর্ক থামাতে কঠিন সিদ্ধান্ত নিল দল। হবিবপুরের তৃণমূল প্রার্থীকে সরানো হল।

বিধানসভা ভোটের মুখে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। ভোটের মুখে বাংলায় দলবদলের ঘনা নিত্যদিন ঘটছে। শাসকদল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়ে গিয়েছে। রাজ্যজুড়ে মূলত তৃণমূল কংগ্রেস থেকেই নেতা-কর্মীরা যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে। অন্যদিকে, ভোটের মুখে অনেকে আবার শাসকদলেরই নাম লেখাচ্ছেন। তবে দলবদলের রাজনীতিতে ঘাসফুল শিবিরকে অনেকটাই টেক্কা দিতে সফল গেরুয়া শিবির। ভোটের আগে শাসকের ঘর ভাঙিয়ে বাড়তি অক্সিজেন বিজেপি শিবিরে।

ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রায় সব আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে তৃণমূল। সবার আগে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জোড়াফুল শিবির। মালদহের হবিবপুরে প্রার্থী করা হয়েছিল সরলা মুর্মুকে। তবে দিন কয়েক ধরেই তাঁর বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা বাড়ছিল। দলের জেলা নেতাদের থেকে এই খবর পৌঁছায় তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের কাছে। শোনা গিয়েছিল, সম্ভবত সোমবারই আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন মালদহের হবিবপুর কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থী সরলা মুর্মু। ভোটের মুখে প্রার্থী পদ পেয়েও বিজেপিতে কেউ চলে গেলে যা তীব্র অস্বস্তিতে ফেলতে পারত তৃণমূলকে।

আগেভাগেই তাই পদক্ষেপ তৃণমূল নেতৃত্বের। বিজেপিতে যোগদানের জল্পনার মধ্যেই প্রার্থীপদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল সরলা মুর্মুকে। অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হবিবপুরের প্রার্থীকে সরিয়ে দিল তৃণমূল। হবিবপুরে তৃণমূল প্রার্থী করা হচ্ছে প্রদীপ বাস্কেকে।

যদিও সরলা মুর্মু বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলেই যে তাঁকে প্রার্থীপদ সরানো হয়েছে, এমন তথ্য স্বীকার করেনি তৃণমূল। দলের রাজ্য নেতৃত্ব তো বটেই, সরলা মুর্মু ইস্যুতে মুখ খোলেননি দলের স্থানীয় নেতারাও। তবে বিরোধী বিজেপি ভোটের মুখে হাতে-গরম এই ইস্যি পেয়ে সাসকদল তৃণমূলে কাঠগড়ায় তুলে তীব্র সমালোচনা শুরু করে দিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।