কাটোয়া: এবার বিজেপি নেতা সুনীল মণ্ডলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে নালিশ জানালেন কাটোয়ার তৃণমূল প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের দাঁইহাটে দলের কর্মিসভায় কাটোয়ার তৃণমূল প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে সুনীল মণ্ডল খুনের হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ। যদিও তৃণমূল প্রার্থীর তোলা এই অভিযোগ উড়িয়েছেন বিজেপি নেতা সুনীল মণ্ডল। তিনি জানিয়েছেন, এব্যাপারে কমিশন তাঁর বক্তব্য জানতে চাইলে বিস্তারিতভাবে তিনি ব্যাখ্যা দেবেন।

বঙ্গ ভোটের উত্তাপ যেন বেড়েই চলেছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে তিন দফার নির্বাচন শেষ হয়েছে। তবে এখনও বাকি পাঁচ দফার নির্বাচন। চতুর্থ দফার ভোটের আগে রাজ্যজুড়ে প্রচারে ঝড় তুলছে শাসক-বিরোধী সব পক্ষ। একুশের ভোটে বাংলা দখলে মরিয়া গেরুয়া শিবির। সেই লক্ষ্যেই পালা করে রাজ্যে পারচার সারছেন মোদী-শাহ-নাড্ডারা। এরই পাশাপাশি দলের রাজ্য নেতারাও জেলায়-জেলায় কর্মিসভার উপরে জোর দিচ্ছেন। রাজ্যে তৃতীয় দফার নির্বাচনের দিন পূর্ব বর্ধমানের দাঁইহাটে দলের এক কর্মিসভায় হাজির হয়েছিলেন বিজেপি নেতা সুনীল মণ্ডল।

তৃণমূলের অভিযোগ, সেই কর্মিসভায় সুনীল মণ্ডল বলেন, ‘‘হেরে যাবে বুঝলেই এখান থেকে বেরিয়ে যাবে। ভোটের পর যাতে রবীন্দ্রনাথ কাটোয়া ছেড়ে বেরোতে না পারেন, তার জন্য গোটা শহর ঘিরে রাখতে হবে। ও যাতে বেরোতে না পারে।’’ সুনীল মণ্ডলের এই বক্তব্যকে খুনের হুমকি দেওয়ার মতো অপরাধ বলে মনে করে তৃণমূল নেতৃত্ব। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে এনেছে শাসকদল। কাটোয়ার তৃণমূল প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় নিজে এব্যাপারে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছেন। কমিশনকে এব্যাপারে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিতেও আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আমাকে মারার পরিকল্পনা করছেন সুনীল।’’ ইতিমধ্যেই কাটোয়া থানায় বিজেপি নেতা সুনীল মণ্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করেছেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। এমনকী নির্বাচন কমিশনেও এব্যাপারে নির্দিষ্ট করে অভিযোগ জমা পড়েছে। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযেগা প্রসঙ্গে সুনীল মণ্ডল জানিয়েছেন, তিনি খুনের হুমকি দেননি। তবে নির্বাচন কমিশন এব্যাপারে তাঁর মতামত জানতে চাইলে কমিশনকে বিস্তারিতভাবে এর ব্যাখ্যা দেবেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.