বালুরঘাট: রাজ্যে নির্বাচনের আগে করোনা সংক্রমণ ফের কিছুটা ঊর্ধমুখী। শনিবারও কিছুটা বেড়েছে সংক্রমণ। আক্রান্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে নানান দলের প্রার্থীরাও। আর এবার করোনা আক্রান্ত হলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কল্পনা কিস্কু।

জানা গিয়েছে, করোনা আক্রান্ত হলেও তিনি আপাতত হোম আইসোলেশনেই আছেন। এখনও ওই কেন্দ্রে প্রার্থী বদলের কথা কিছু জানা যায়নি। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের বক্তব্য, প্রার্থী হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকলেও তাঁর কাটআউট নিয়ে প্রচার চালিয়ে যাবেন তাঁরা। পাশাপাশি তাঁদের বক্তব্য, “রাজ্যের সব আসনে প্রার্থী মমতা ব্বন্দোপাধ্যায়। তাঁকে দেখেই মানুষ ভোট দেবেন।”

এছাড়া সম্প্রতি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ঘাসফুল শিবিরের অপর এক প্রার্থীও। করোনা আক্রান্ত হয়েছেন আব্দুর রহমান। বীরভূম জেলার মুরারাই বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হিসেবে টিকিট পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু করোনা হওয়ার পর গত ২৬ মার্চ থেকে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আব্দুর রহমান। আর তাই ওই কেন্দ্রে প্রার্থী বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দলের তরফে।

আব্দুর রহমানের জায়গায় নতুন প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে ড. মুশারাফ হোসেনকে। সূত্রের খবর, সুচিকিৎসক হিসেবে বিশেষ করে শিশু চিকিৎসক হিসেবে এলাকায় যথেষ্ট নামডাক রয়েছে মুশারাফ হোসেনের। রামপুর হাট সাব ডিভিশনে তিনি এক পরিচিত মুখ।

উল্লেখ্য, প্রসঙ্গত, নির্বাচনের বাংলায় রাজ্যে করোনার দাপট ক্রমাগত বাড়ছে। শনিবারের রাতের বুলেটিনে দেখা যাচ্ছে, রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৩৬ জন। যা কিনা আগের দিনের তুলনায় ৩ জন বেশি। গত দিনে এই সংখ্যা ছিল ১৭৩৩ জনে। একই সঙ্গে গতদিনে যেখানে মৃত্যু সংখ্যা ছিল ৪, আজ সেখানে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ এ।

ভোট শুরুর সঙ্গে-সঙ্গেই রাজ্যে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে করোনার সংক্রমণ। গোটা রাজ্যে রাজনৈতিক দলগুলির সভা , সমাবেশ, রোড শো চলছে। সেই সভা, সমাবেশগুলিতে অধিকাংশ মানুষই মাস্ক ছাড়া ঢুকে পড়ছেন। শুধু সাধারণ মানুষই নন, সভা, মিছিল, রোড শোয়ে হাজির একাধিক রাজনৈতিক দলের নেতাদেরও মাস্ক পরতে প্রবল অনীহা দেখা যাচ্ছে। ফলে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.