এই ছবিটিই তৃণমূল প্রার্থীর বলে দাবি। প্রচারে বেরিয়ে তিনি টাকা বিলি করছেন বলে অভিযোগ।

ফলতা: এবার বিপাকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতার তৃণমূল প্রার্থী শঙ্কর নষ্কর। নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে টাকা বিলির অভিযোগ ফলতার তৃণমূল প্রার্থী শঙ্কর নষ্করের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই নির্বাচনী আধিকারিককে এব্যাপারে অভিযোগ জানিয়েছে সিপিএম। প্রচারে বেরিয়ে টাকা বিলি করে তৃণমূল প্রার্থী নির্বাচনী বিধি ভেঙেছেন বলে অভিযেগা সিপিএমের। তাঁর বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ারও আবেদন জানানো হয়েছে।

ভোটের বাংলা সরগরম। ইতিমধ্যেই রাজ্যে দু’দফার ভোট শেষ। এখনও বাকি ছ’দফার নির্বাচন। তৃতীয় দফার ভোটের আগে প্রচার তুঙ্গে। শাসক-বিরোধী সব পক্ষ নিরবাচনী প্রচারে ঝড় তুলছে। এরই মধ্যে অস্বস্তিতে পড়ল ফলতার তৃণমূল শিবির। দক্ষিণ ২৪ পরগণার ফলতার তৃণমূল প্রার্থী শঙ্কর নস্কর নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে টাকা বিলি করছেন বলে অভিযোগ তুলেছে সিপিএম। ইতিমধ্যেই জেলাশাসককে এব্যাপারে অভিযোগ জানিয়েছে সিপিএম। আগামী ৬ এপ্রিল ফলতায় নির্বাচন। ঠিক তার আগে দলের প্রার্থীর এই আচরণে বেজায় অস্বস্তিতে জোড়াফুল নেতৃত্ব।

জানা গিয়েছে,সিপিএমের তরফে একটি ছবি জেলাশাসককে পাঠানো হয়েছে। ছবিটি ফলতার তৃণমূল প্রার্থী শঙ্কর নষ্করের বলে দাবি সিপিএমের। প্রচারে বেরিয়ে টাকা বিলি করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন তৃণমূলের প্রার্থী, এমনই অভিযোগ সিপিএমের। বামেদের দাবি, নির্বাচন কমিশন ঘটনার সত্যতা যাচাই করে অবিলম্বে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিক। ফলতার তৃণমূল প্রার্থী শঙ্কর নষ্করের ভোটে লড়ার অধিকার কেড়ে নেওয়ারও দাবি তুলেছে সিপিএম।

এর আগে দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন এই একই অভিযোগ উঠেছিল বাঁকুড়ার তৃণমূল প্রার্থী তথা অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। ভোটের দিন একটি মন্দিরের সামনে থাকা কয়েকজম দুঃস্থ মহিলাকে সায়ন্তিকা টাকা বিলি করেছেন বলে অভিযোগ তোলে বিরোধীরা। নির্বাচন কমিশনে এব্যাপারে নির্দিষ্টভাবে অভিযোগ জমা পড়ে। তবে এক্ষেত্রে ভোটের কয়েকদিন আগে টাকা বিলির অভিযোগ তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জমা পড়েছে। বামেদের দাবি আদৌ কমিশন মানবে কিনা সেটাই দেখার। তবে দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রচারে বেরিয়ে টাকা বিলির অভিযোগ উঠলেও জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে এখনও পর্যন্ত এব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.