কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেস দলটির গঠিত হওয়ার পর সেই দলের প্রথম বিধায়ক হয়েছিলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় । তিনিই এবারে বিধানসভায় প্রার্থী ভবানিপুর কেন্দ্রে, যে কেন্দ্রে বর্তমান বিধায়ক হলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। অন্যবারের তুলনায় এবারে ক্রমশ রাজ্যে শাসক তৃণমূলের প্রতিপক্ষ হিসেবে উঠে এসেছে বিজেপি। আর সেই অবস্থায় এবার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকা তৈরি করতে হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসকে । সেই তালিকা করতে গিয়ে কিছুটা রদ বদল করতে হয়েছে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বেশ কিছু মন্ত্রী বিধায়ক বাদ পড়েছেন। অথবা বর্তমান কিছু বিধায়কদের টিকিট দিলেও তার কেন্দ্র বদলে দেওয়া হয়েছে। এবার খোদ মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পুরনো কেন্দ্র ভবানিপুর থেকে না লড়ে নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী হয়েছেন। সেজন্য শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী করে নিয়ে আসা হয়েছে ভবানিপুর কেন্দ্রে। গতবারের ভোটে রাসবিহারী থেকে জিতেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁর জায়গায় এবার ওই কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দেবাশিস কুমারকে।

দক্ষিণ কলকাতা লোকসভার অন্তর্গত হল ভবানীপুর বিধানসভা আসনটি। ভবানীপুর বিধানসভার মধ্য রয়েছে কলকাতা পুরসভার ৬৩,৭০,৭১,৭২,৭৩,৭৪,৭৭,এবং ৮২ ওয়ার্ডগুলি। ২০১১ সালে অবশ্য এই আসনটিতে প্রথমে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সুব্রত বক্সী। পরে অবশ্য রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই আসনটি ছেড়ে দেন তিনি এবং উপনির্বাচন করা হলে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় ওই কেন্দ্র থেকে জেতেন। তিনি সেবার সিপিএমের নন্দিনী মুখোপাধ্যায়কে হারিয়েছিলেন। তারপরে অবশ্য ২০১৬ সালেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর থেকে দাড়িয়ে জেতেন।সেবার তাঁর বিরুদ্ধে দাড়িয়েছিলেন কংগ্রেসের দীপা দাসমুন্সী এবং বিজেপির চন্দ্রকুমার বসু।

এবার ওই কেন্দ্রে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী করায় রীতিমতো নজর পড়েছে এই কেন্দ্র তথা প্রার্থীকে নিয়ে। ১৯৯১ এবং ১৯৯৬ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুর থেকে কংগ্রেসের হয়ে বিধায়ক হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। এরপর কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল কংগ্রেস দলটি গঠিত হলে তিনি ১৯৯৮ সালে বারুইপুরে বিধায়ক পদ ছেড়ে রাসবিহারীর উপ নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রার্থী হন এবং ওই কেন্দ্রে থেকে জেতেন। তিনি হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম বিধায়ক।সেই সময় কংগ্রেস বিধায়ক হৈমি বসু মৃত্য়ু হওয়ার জন্য রাসবিহারী কেন্দ্রে উপনির্বাচন হয়েছিল।পরবর্তীকালে ওই রাসবিহারী কেন্দ্র থেকেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বার বার দাঁড়াতে দেখা যেত। তিনি ২০০১, ২০০৬, ২০১১ এবং ২০১৬ প্রতিটি বিধানসভা নির্বাচনে রাসবিহারী কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে প্রতিবারেই জিতে ছিলেন। তাছাড়া তিনি ছিলেন আইএনটিটিইউসি-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তিনি বর্তমানে রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.