সুভাষ বৈদ্য, কলকাতা: চলতি মাসের ১৯ জানুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশ৷ ২০১৮ সালের ২১ জুলাই শহীদ দিবসের মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন এই সমাবেশের কথা৷ যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিজেপি বিরোধী দলের নেতারা আসবেন৷ দলীয় সাংসদ তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান,ব্রিগেড সমাবেশে ৪০-৫০ লক্ষ মানুষ হবে৷ যা সর্বকালীন রেকর্ড ছাপিয়ে যাবে৷

হাতে মাত্র আর কয়েকটা দিন বাকি৷ তারপরই তৃণমুলের ব্রিগেড সমাবেশ৷ তার প্রস্তুতি চলছে দিকে দিকে৷ বিভিন্ন জেলায় গিয়ে সমাবেশ করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ শুরু করেছেন উত্তর ২৪ পরগণা জেলা থেকে আর শেষ করবেন ১৩ জানুয়ারি হাজরা মোড়ের সভা দিয়ে৷ ব্রিগেড সমাবেশ উপলক্ষে অভিষেক যেখানেই সভা করেছেন সেখানেই রেকর্ড সংখ্যক মানুষ হয়েছে৷ ব্রিগেড নিয়ে সর্বত্র মানুষের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা রয়েছে বলে জানান যুব তৃণমূল সভাপতি৷

বুধবার বিধাননগর মেলা প্রাঙ্গনে আসেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তাঁর সঙ্গে ছিলেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু৷ এদিন অভিষেক জানান, ১৯ জানুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশে যারা আসবেন তাদের জন্য কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ মিলন মেলার পরিবর্তে এবার বিধাননগর মেলা প্রাঙ্গনেও বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা মানুষদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে৷ তারই প্রস্তুতি দেখতে আসা৷ মূলত এই অস্থায়ী ক্যাম্পে উত্তরবঙ্গ থেকে আসা মানুষ থাকবে৷ বিশেষ করে দার্জিলিং,জলপাইগুড়ি,কোচবিহার,আলিপুরদুয়ার ও দুই দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জায়গার ৩০-৩৫ হাজার মানুষ৷

সূত্রের খবর, ১৯ জানুয়ারি কলকাতার ব্রিগেড সমাবেশের মঞ্চে যাদের কথা তারা হলেন, উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির অন্যতম প্রধান অখিলেশ যাদব, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল৷ এছাড়া জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লা, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু৷ এর পাশাপাশি বিহার ও ঝাড়খণ্ড থেকে বিজেপির দুই বিক্ষুব্ধ নেতা যশবন্ত সিনহা এবং শত্রুঘ্ন সিনহাসহ আরও অনেক নেতা থাকতে পারেন ৷