কলকাতা: চলতি বছরে সারা রাজ্য জুড়ে পালিত হবে বিদ্যাসাগরের জন্ম দ্বি-বার্ষিকী। যার সূচনা হবে বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান বীরসিংহ গ্রাম থেকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর উদ্বোধন করার আগেই তৃণমূল-বিজেপি তরজা শুরু পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়।

জানা গিয়েছে, এদিনের অনুষ্ঠান উপলক্ষে পতাকা দিয়ে সাজানো হয়েছিল গ্রামের রাস্তার দু’ধার। হঠাতই এই অভিযোগ উঠেছে। শাসক দল তৃণমূল দোষারোপ করেছে বিজেপিকে। তবে বিজেপি তরফ থেকে তা অস্বীকার করা হয়েছে।

বাংলা ভাষা শেখার ক্ষেত্রে অন্যতম দিশারী হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। আজও শিশুদের শিক্ষা জগতে প্রবেশ হয় বিদ্যাসাগর বিরচিত বর্ণপরিচয় দিয়ে। ঈশ্বরচন্দ্রের জন্ম দ্বি-শত বার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে এক অভিনব পদক্ষেপ নিতে চলেছে মমতা সরকার। প্রকাশিত হতে চলেছে বিদ্যাসাগরকে নিয়ে একটি বই।

এই প্রথম কোনও মনীষীকে নিয়ে বই প্রকাশ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতে তুলে দেওয়া হবে সেই বই। থাকবে গ্রন্থাগার গুলিতে। বইটি সম্পাদনার দায়িত্বে সিলেবাস কমিটির চেয়ারম্যান অভীক মজুমদার। ছাব্বিশে সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে বিদ্যাসাগরের দু’শো বছরপূর্তির অনুষ্ঠান। তার আগে, চব্বিশে সেপ্টেম্বর ‘আমাদের বিদ্যাসাগর’ বইটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ।

বইয়ে থাকছে ১০০ পাতার বইয়ে তিন ভাগ। প্রথম ভাগে বিদ্যাসাগরের জীবনী ও কীর্তি, দ্বিতীয় ভাগে থাকছে রবীন্দ্রনাথ-সহ বিভিন্ন মনীষীদের বিদ্যাসাগরকে নিয়ে লেখা প্রবন্ধ এবং তৃতীয় ভাগে বিদ্যাসাগরের জীবনের নানা গল্প, বিদ্যাসাগরের দুর্মূল্য ছবি, বিদ্যাসাগরের হাতে লেখা চিঠি, বিদ্যাসাগরের ব্যবহৃত জিনিসের ছবি। সিলেবাস কমিটির চেয়ারম্যান অভীক মজুমদার বলেন, ‘‘পড়ুয়াদের মধ্যে বিদ্যাসাগর সম্পর্কে ধারণা, কীর্তি মনে করানো, অবদানের প্রাসঙ্গিকতা পড়ুয়াদের মতে পৌঁছতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ৷’’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফরের ঠিক আগেই রাজনৈতিক এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে স্থানীয় এলাকায়। তবে এই  কারা বিদ্যাসাগরের জণ্ম উপলক্ষে উনিষ্ঠানের দিনেই এই উত্তেজনা ছড়ালো তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।