প্রতীতি ঘোষ, ব্যারাকপুর : বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং-এর গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠলো তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। রবিবার সন্ধ্যেয় উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে বিজেপি র একটি দলীয় কর্মসূচী চলছিল আর সাংসদ অর্জুন সিং সেখানে যোগদান করতে যান।

অন্যদিকে এদিন হালিশহরে তৃণমূলের একটি কর্মসূচী চলছিল। সাংসদ অর্জুন সিং বিজেপির ওই পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় তার গাড়িতে ভাঙচুর চালায় একদল দুষ্কৃতী। সাংসদ অর্জুন সিং অভিযোগ করেন বিজপুরের তৃণমূল নেতা সুবোধ অধিকারীর নেতৃত্বে তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী তার গাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে। তিনি বলেন “আমি দলীয় কর্মীর বাড়িতে মিটিং করছিলাম তখন আমার গাড়িতে তৃণমূল নেতা সুবোধ অধিকারী তার গুন্ডা বাহিনী নিয়ে চড়াও হয় আর আমার গাড়ি ভাঙচুর করে।

সেই সঙ্গে আমাদের দলীয় কর্মীদের বাইক ও আমার সঙ্গে থাকা বাকি গাড়ি গুলোও ভেঙে দিয়েছে। এমনকি আমাদের কর্মীদের উদেশ্য করে বোমা ছোরা ও গুলিও ছোরা হয় সেই সময়।”

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে। বোলদেঘাটায় অবস্থিত তৃণমূলের কার্যালয় আগুন লাগিয়ে দেওয়া ও অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। অন্যদিকে বিজেপির তরফ থেকেও বিজেপির কর্মীদের মারধর করে তাদের মোটর বাইক পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী দের বিরুদ্ধে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিজপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। অন্যদিকে তৃণমূল নেতা সুবোধ অধিকারী পাল্টা অভিযোগ করেন যে ” আজকে বিজেপি থেকে আসা বেশকিছু কর্মীরা আমাদের দলে যোগদানের কর্মসূচি ছিলো। সেখানে প্রচুর কর্মীরা বিজেপি ছেড়ে আমাদের দলে যোগদান করছিল। আর তাতেই হতাশ হয়ে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতী রা আমাদের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়, আর সেই সময় আমার গাড়িতেও হামলা করে। সেটা দেখে সাধারন মানুষ এর প্রতিবাদ করে ও বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বাধা দেয়।”

ইতিমধ্যেই বীজপুর থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। সেই সঙ্গেই এই ঘটনার সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করার জন্য তল্লাশি শুরু করে করেছে পুলিশ। এখনো উত্তেজনা রয়েছে হালিশহরে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ