বর্ধমান : প্রতি ঘণ্টায় গড়ে চার জন করে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। বাড়ছে মাত্র সংখ্যা। তবুও হুঁশ নেই বর্ধমান শহরবাসীর। ভিড়ের বাজার হোক বা যে কোনও এলাকা মাস্ক বিহীন জনগণ। পূর্ব বর্ধমান জেলার করোনা চিত্র ক্রমে ভয়াবহ আকার নিতে চলেছে। এই অবস্থায় ফের পথে নেমে গণসচেতনতা তৈরিতে মরিয়া বাম ছাত্র যুব সংঠনের কর্মীরা। অন্যদিকে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে চলছে ভোট পরবর্তী হিংসা।

পঞ্চম দফা নির্বাচনে জেলার যে ৮টি বিধানসভায় ভোট হয়েছে তার মধ্যে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভার অন্তর্গত শহর বর্ধমান। পৌর এলাকায় করোনা সংক্রমণ হু হু করে বেড়েছে। এদিকে ভোট মিটতেই টি়এমসি ও বিজেপির মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের জেরে উত্তপ্ত হতে থাকে শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড। দু পক্ষের সংঘর্ষে জখম অনেকে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিরাট পুলিশ বাহিনি নামানো হয়। দুটি দলের একাধিক পার্টি অফিসে ভাঙচুর হয়েছে।

অন্যদিকে সংযুক্ত মোর্চার সিপিআইএমের যুব শাখা ব্যাস্ত করোনা মোকাবিলায়। বর্ধমানের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ মোড় কার্জন গেট এলাকায় বাম যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআইয়ের তরফে করোনা মোকাবিলৈয় সচেতনতা অভিযান ও মাস্ক, স্যানিটাইজার বিলি করা হয়। পথ চলতি অনেকেই মাস্ক নিয়েছেন।

বিজেপি টিএমসির সংঘর্ষের মাঝে বামেদের মাস্ক বিতরণ এই বিপরীতমুখী ঘটনায় শহর জুড়ে আলোচনা বারবার উঠে আসে গত বছর লকডাউন সময়ে সিপিআইএমের উদ্যোগে চলা রান্নাঘর ও খাদ্য বিতরণের প্রসঙ্গ।

বাম যুব সংগঠনটি জানিয়েছে, করোনার দ্বিতীয় পর্যায়ের হামলা রুখতে রাজ্য জুড়েই মাস্ক বিতরণ, স্যানিটাইজার বিলি, এলাকায় জীবাণুনাশ ছড়ানোর কাজ চলেছে। ভবিষ্যতেও একই কাজ চলবে। সোশ্যাল সাইটে ছড়িয়েছে এই কর্মসূচির ছবি।

পূর্ব বর্ধমান জেলার অন্যান্য ব্লকগুলিতেও সংক্রমণ ক্রমশই বাড়ছে। তবে সবথেকে বেশি উদ্বেগের কারণ হয়েছে বর্ধমান পুরসভা এলাকা। সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সোমবার বর্ধমান পুরসভায় জরুরি বৈঠকে বসে কর্তৃপক্ষ। পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার অমিত গুহ জানিয়েছেন, বৈঠকে ছিলেন শহরের সমস্ত ব্যবসায়ী সংগঠন সহ স্বাস্থ্য দফতরের কর্তা পুরসভার আধিকারিকরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.