কলকাতা: ফোন আসছে। কাঁধে অক্সিজেন নিয়ে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ময়দানে একেবারে সামনের সারিতে সিপিআইএমের রেড ভলান্টিয়ার্স। যদিও সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা ভোটে বামেদের ঝুলি শূন্য করে দিয়েছেন রাজ্যবাসী। এখন যা দলগত পরিস্থিতি তাতে কে বলবে এই দলটাই ৩৪ বছর একাদিক্রমে রাজ্য শাসন করেছিল।

করোনা সংক্রমণের ভয়াবহ পরিস্থিতির মাঝে সিপিআইএম ছাত্র যুব শাখার রেড ভলান্টিয়ার্সের ভূমিকা বিশ্ব জুড়ে আলোচিত হচ্ছে। সবকটি জেলায় নিজেদের সমর্থকদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনি গড়ে ওষুধ, খাবার অক্সিজেন সবকিছু বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতে মরিয়া রেড ভলান্টিয়ার্স।

ফেসবুকে ট্রেন্ডিং রেড ভলান্টিয়ার্স গ্রুপ। তৈরি হয়েছে ওয়েবসাইট। এসেছে অ্যাপ। যার যেমন দরকার সেই মতো নিজ নিজ এলাকার রেড ভলান্টিয়ার্স নম্বর জোগাড় করে রেখেছেন। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে, করোনায় মৃতদের দেহ শ্মশানে বা কবরস্থানে নিয়ে যেতেও রেড ভলান্টিয়ার্স তৈরি।

নির্বাচনের ফল ঘোষণা হতেই রাজ্যে রাজনৈতিক সংঘর্ষ শুরু হয়। অভিযোগ, বিভিন্ন জেলায় আক্রান্ত হয় রেড ভলান্টিয়ার্স। এই সব ঘটনা ও অভিযোগে সমালোচনার মুখে পড়ে তৃণমূল কংগ্রেস। আর রেড ভলান্টিয়ার্স জানাচ্ছে, করোনা কোনও রাজনৈতিক দলের রং দেখবে না।এর হামলা হলে রোগীর রিভার থেকে ফোন করলেই হাজির হবে স্বেচ্ছাসেবকরা।

ভোটে শূন্য হওয়া সিপিআইএম ও অন্যান্য বামদলগুলির কতজন সদস্য কাজ করছেন এমন, সঠিক সংখ্যা জানা না গেলেও এক লক্ষের কাছাকাছি এমন সদস্য আছে। একাধিক রিপোর্টে উঠে এসেছে, করোনা আক্রান্ত তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কর্মীদের পরিবারও বিপদে রেড ভলান্টিয়ার্স নম্বরে ফোন করছেন।

করোনা হামলায় বিপদ বাড়িয়েছে অক্সিজেন সংকট। এই অক্সিজেন জোগাড় করতে দিনরাত এক করছে রেড ভলান্টিয়ার্স। সোশ্যাল মিডিয়া ভাইরাল তাদের কাজে।

বাম নেতা নেত্রী, যুব ও ছাত্র সংগঠনের কর্মী সদস্যরা নেমে পড়েছেন। দার্জিলিং থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা দৌড়চ্ছে রেড ভলান্টিয়ার্স। ভোটে গোহারা হেরে সিপিআইএমের লাল স্বেচ্ছাসেবকদের লক্ষ্য অদৃশ্য জীবাণু ঘাতকদের বিরুদ্ধে লড়ে জয়ী হওয়া। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল “এ লড়াই লড়ব একসাথে জিতব….”।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.